• বিধানসভা ভোট: এবার ফলতায় সর্বত্র প্রচার করতে পেরে সন্তুষ্ট বাম শিবির
    বর্তমান | ১৯ মে ২০২৬
  • নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: সরকার বদলেছে। বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতায় এসেছে বিজেপি। এরই মধ্যে ফলতায় পুনর্নির্বাচন। ভোটের দিনে বেনিয়মের অভিযোগে ফের ভোট হতে চলেছে এখানে। ২১ মে ভোটের আগে জোরকদমে প্রচারে নেমেছেন ফলতার সিপিএম প্রার্থী শম্ভুনাথ কুর্মী। ৪ তারিখে বিজেপির জয়ের পর ফলতার সিপিএম কর্মী-সমর্থকদের কাছে আশার বিষয় একটাই, তারা প্রচারে যেতে পারছেন। সিপিএম বলছে, মানুষ ‘ভাত দিয়ে অনেক তরকারি’ খেতে পারছে।

    বামেদের অভিযোগ, ২৯ এপ্রিল ভোটের আগে তারা ফলতার সব এলাকায় প্রচার করতে পারেনি। এখন সর্বত্র যেতে পারছে। প্রার্থী শম্ভুনাথ কুর্মী বলছেন, ‘মানুষ যাঁকে ইচ্ছা ভোট দেবেন। আমরা এখন প্রত্যন্ত গ্রামগুলিতে প্রচার করতে পারছি। মানুষের কাছে গিয়ে ভোটের কথা বলতে পারছি, এটাই অনেক। মানুষ বলছে, অনেকদিন বাদে সব দলের পতাকা দেখতে পাচ্ছি। আসলে এতদিন এক তরকারি দিয়ে ভাত খেতেন মানুষ। সেটা কি আর সব সময় ভালো লাগে?’ অর্থাত্, এখন অনেকগুলি তরকারি রয়েছে মানুষের সামনে। যাঁর যা পছন্দ, তিনি সেটাই খাবেন। শম্ভুনাথবাবুর বক্তব্য, ‘এখন তো বিজেপি, কংগ্রেস, আমরা সকলেই প্রচার করছি। তৃণমূলকে দেখতে পাচ্ছি না। জানি না, ওরা কোথায়! এবার মানুষ ভোট দিতে পারবেন। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হোক, এটাই চাই। তৃণমূল পঞ্চায়েতগুলি বিরোধীশূন্য করে দিয়েছে। লোকসভা ভোটেও একই অবস্থা হয়েছিল। মানুষ অন্তত প্রাণ খুলে কথা বলুক।’ ২৯ এপ্রিলের ভোট আর এখনকার ভোট আলাদা। ফলে, উপনির্বাচনের আগে সিপিএমের প্রার্থী মানুষকে বলছেন, ‘আমরা বিধানসভায় গিয়ে গঠনমূলক আলোচনা করতে চাই। বিরোধী কণ্ঠস্বরকে আরও মজবুত করার জন্য ভোট দিন। আগে তো আমরা যেতেই পারিনি মানুষের কাছে।’ ফলতার উপনির্বাচনে সিপিএম কিন্তু প্রচারে খামতি রাখছে না। মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়, সুজন চক্রবর্তী, শমীক লাহিড়িরাও প্রচার করেছেন। সিপিআই (এম-এল) লিবারেশনও এই প্রার্থীকে সমর্থন করেছে।
  • Link to this news (বর্তমান)