• বিধাননগরের বেহাল রাস্তা দ্রুত মেরামত, নিকাশি সংস্কারের দাবি, মেয়র, কাউন্সিলাদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ২ বিধায়কের
    বর্তমান | ১৯ মে ২০২৬
  • নিজস্ব প্রতিনিধি, বিধাননগর: বিধাননগর পুরসভার ৪১টি ওয়ার্ডের মধ্যে তিনটি বিধানসভা এলাকা পড়ে। সেই তিন কেন্দ্রেই তৃণমূলকে হারিয়ে জয়ী হয়েছে বিজেপি। বিধাননগর পুরবোর্ড তৃণমূলের দখলে। অন্যদিকে তিন বিধানসভা বিজেপির দখলে। এই রাজনৈতিক পার্থক্যের প্রভাব পরিষেবার উপর যাতে না পড়ে তার জন্য উদ্যোগ নিলেন বিজেপি বিধায়করা। সোমবার সল্টলেকে পুরভবনে গিয়ে মেয়র, কাউন্সিলার এবং পুরসভার আধিকারিকদের সঙ্গে সৌজন্যসাক্ষাৎ করেন বিধাননগর এবং রাজারহাট-নিউটাউনের দুই বিধায়ক ডাঃ শারদ্বত মুখোপাধ্যায় এবং পিযূষ কানোড়িয়া। সল্টলেক সহ গোটা বিধাননগরের বেহাল রাস্তা দ্রুত মেরামতের দাবি জানান দুই বিধায়ক। একইসঙ্গে বর্ষার আগে নিকাশির কাজেরও দাবি তোলেন।

    কিছুদিন আগে রাজারহাট-গোপালপুরের বিজেপি বিধায়ক তরুণজ্যোতি তেওয়ারি পুরসভায় এসে আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন। সোমবারের বৈঠকে তিনি উপস্থিত ছিলেন না। বৈঠকে বসেন শারদ্বতবাবু ও পিযূষবাবু। বিধাননগর পুরসভার মেয়র কৃষ্ণা চক্রবর্তী, ডেপুটি মেয়র অনিতা মণ্ডল, চেয়ারম্যান সব্যসাচী দত্ত সহ মেয়র পারিষদ ও অধিকাংশ কাউন্সিলার বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। ছিলেন পুর কমিশনার ও একাধিক দপ্তরের আধিকারিক। মেয়র পারিষদ দেবরাজ চক্রবর্তী ছিলেন গরহাজির। এছাড়া ৩৮ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার আলো দত্ত উপস্থিত ছিলেন না। ভোটের ফল ঘোষণার পর থেকে আলোদেবী ঘরছাড়া। বাড়ি ফিরতে চেয়ে তিনি বিধাননগরের বিধায়ককে ফোন করেছিলেন। তবে এখনও বিষয়টির নিষ্পত্তি হয়নি।

    সোমবার বৈঠকের পর বিধাননগরের বিধায়ক ডাঃ শারদ্বত মুখোপাধ্যায় বলেন, পুরসভায় তৃণমূল আছে এবং এলাকার বিধায়ক হিসাবে আমরা আছি। এতে সংঘাতের সম্ভাবনা থাকতে পারে। তাই দলের নির্দেশে প্রথমেই সৌজন্যমূলক সাক্ষাৎ করা হল। যাতে কোনোভাবেই নাগরিক পরিষেবা ব্যাহত না হয়। বেশ কিছু গ্যাপ রয়েছে। সেগুলি আলোচনা করেছি। পরিষেবায় একে অপরকে সাহায্য করবে। এই সংকল্প নিয়েছি। তিনি বলেন, আমি প্রথমেই রাস্তার প্রসঙ্গ তুলেছি। সত্যি রাস্তার বেহাল অবস্থা। যত দ্রুত সম্ভব মেরামত করতে হবে। বৈঠকে আসার আগে মাতৃসদন হাসপাতালে ঘুরে এসেছি। ওখানে বেহাল দশা। মেয়রকে জানিয়েছি। শহরের বেআইনি পার্কিংয়ের বিষয়টিও দেখতে বলা হয়েছে। অন্যদিকে বিধায়ক পিযূষ কানোড়িয়া বলেন, বেহাল রাস্তার কাজ দ্রুত করতে হবে। সেই সঙ্গে বর্ষার আগে ড্রেনেজ ব্যবস্থা ঠিক করতে হবে। অনেকগুলি পয়েন্ট ব্লক হয়ে পড়ে রয়েছে। মেয়র কৃষ্ণা চক্রবর্তী বলেন, সৌজন্যমূলক সাক্ষাৎকারে এসেছিলেন। ওঁরা এলাকার বিধায়ক। অবশ্যই আসবেন। রাস্তার কথা বলেছেন। সত্যিই কিছু জায়গা খারাপ। ড্রেনের কাজ হচ্ছে। মানুষকে পরিষেবা দেওয়া আমাদের কাজ। ওঁরা যা সাজেশন দিয়েছেন তা নিয়ে আমরা এগিয়ে যাব।
  • Link to this news (বর্তমান)