মাঝরাস্তায় আচমকা কালবৈশাখী? বজ্রপাত ও ঝড়ের হাত থেকে বাঁচতে শিখে রাখুন এইসব টেকনিক
News18 বাংলা | ১৯ মে ২০২৬
আসানসোল, পশ্চিম বর্ধমান: হাঁসফাঁস করা এই গরমে কালবৈশাখী এনে দিচ্ছে সাময়িক স্বস্তি। কিন্তু আকাশ কালো করে মেঘ এলে থাকছে বিপদের আশঙ্কাও। রাস্তাঘাটে বেরিয়ে কালবৈশাখীর সামনাসামনি হতে হচ্ছে বহু মানুষকে। তীব্র ঝড়, ঘনঘন বজ্রপাত বা শিলাবৃষ্টির মতো কঠিন পরিস্থিতি হঠাৎ করেই সামনে আসছে। ফলে সেই দুর্যোগের মুখে নিজেকে কীভাবে রক্ষা করবেন, তা অনেকেই বুঝে উঠতে পারছেন না। তার জন্য বিশেষ কিছু টিপস দিলেন ভূগোলের শিক্ষক পরিমল বিশ্বাস।
এই শিক্ষকের মতে, কালবৈশাখীর সময় সবচেয়ে বড় বিপদ হল বজ্রপাত। তাঁর কথায়, সেইসময় যদি আপনি রাস্তায় থাকেন, তবে সবার আগে ‘৩০-৩০ নিয়ম’ মাথায় রাখুন। বজ্রপাত দেখার পর থেকে মেঘের গর্জন শোনার মাঝের সময়টা যদি ৩০ সেকেন্ড বা তার কম হয়, তবে বুঝবেন বিপদ অত্যন্ত কাছে। সেক্ষেত্রে খোলা মাঠ, ফাঁকা রাস্তা বা কোনও বড় গাছের নিচে ভুলেও দাঁড়াবেন না। কারণ উঁচু গাছ বা বিদ্যুতের খুঁটি বজ্র বিদ্যুৎকে সবচেয়ে বেশি আকর্ষণ করে।
তাই তৎক্ষণাৎ কোনও পাকা বাড়ি, দোকান বা কংক্রিটের ছাদের নিচে আশ্রয় নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। যদি আশেপাশে কোনও পাকা আশ্রয় না থাকে, সেক্ষেত্রে কখনও মাটির ওপর সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে বা শুয়ে থাকা চলবে না। তখন হাঁটু মুড়ে মাটিতে বসে এবং মাথাটি দুই হাঁটুর মাঝখানে গুঁজে কান দুটি হাত দিয়ে ঢেকে রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। একে বলা হয় ‘লাইটেনিং সেফটি পজিশন’।