তৃণমূল কাউন্সিলারের বিরুদ্ধে তাঁর নিজের বাড়িতে আপত্তিকর কাজকর্ম চালানোর অভিযোগ। সোমবার সেই অভিযোগে বনগাঁ থানার কালুপুর পাঁচপোতা এলাকার একটি বাড়ি থেকে দুই মহিলা-সহ তৃণমূল কাউন্সিলার ও এক যুবককে আটক করে পুলিশ। গ্রামবাসীরাই তাঁদের পুলিশের হাতে তুলে দেন। যদিও পরে তাঁদের ছেড়ে দেওয়া হয় বলে সূত্রের খবর। অভিযুক্ত কাউন্সিলার সুকুমার রায়ের দাবি, তিনি কোনও কুকর্মে যুক্ত নন। ওই মহিলারা বাড়ি ভাড়া নেবেন বলে দেখতে আসেন। সুকুমারের বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা খতিয়ে দেখছে বনগাঁ থানার পুলিশ।
উত্তর ২৪ পরগনার বনগাঁ পুরসভার ২২ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলার সুকুমার রায়। এলাকাবাসীর অভিযোগ, অনেক দিন ধরেই এলাকায় উচ্ছৃঙ্খলতা চলছে। রাজা হালদার নামে স্থানীয় এক বাসিন্দার কথায়, ‘দীর্ঘদিন বনগাঁ ২২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার সুকুমার রায় বহিরাগতদের নিয়ে এসে পার্টি করেন। রাত অবধি পার্টি চলে। অনেক বার প্রতিবাদও করা হয়েছিল। তবে তৃণমূল কাউন্সিলার বলে তিনি পার পেয়ে যাচ্ছিলেন।’
স্থানীয় সূত্রে খবর, সোমবার দুপুরে তাঁদের আটক করা হয়। আটক করার সময়ে কাউন্সিলার মদের নেশায় চুর ছিলেন বলে অভিযোগ। কলার ধরে টানতে টানতে নিয়ে যায় পুলিশ। এলাকার লোকজনের অভিযোগ, শান্তিপুর থেকে দুই মহিলা এসেছিলেন। একজন পুরুষও ছিলেন সেখানে। তাঁদের বাড়িতে আটকে রেখে পুলিশে খবর দেওয়া হয়।
স্থানীয় বাসিন্তা সুস্মিতা বিশ্বাসের অভিযোগ, ‘বাড়িতে মহিলাদের ডেকে নিয়ে এসে নেশা করছিলেন কাউন্সিলার। আগেও হয়েছে। বহুবার বলা হয়েছে, পাড়ার ভিতরে এ সব না করতে। পরিবেশ নষ্ট হয়। কিন্তু তিনি শোনেননি।’
বনগাঁ সাংগঠনিক জেলার বিজেপি সভাপতি বিকাশ ঘোষ বলেন, ‘তৃণমূলের প্রশাসন এখন আর নেই। কুকাজে যুক্ত থাকলে পুলিশ পদক্ষেপ করবেই।’