• এই বিশেষ জবা চাষে হতে পারে ব্যাপক লাভ! দিশা দেখাচ্ছেন কালিয়াগঞ্জের চাষি
    News18 বাংলা | ১৯ মে ২০২৬
  • কালিয়াগঞ্জ, উত্তর দিনাজপুরঃ পুজোর ফুল হিসেবে জবার চাহিদা ব্যাপক। বিভিন্ন পুজোপার্বণের সময় হু হু করে জবা ফুল, ফুলের কুঁড়ি ও মালা বিক্রি হয়। সেই চাহিদাকে সামনে রেখে অনেক কৃষকই জবা চাষের দিকে ঝুঁকছেন। তবে এক্ষেত্রে ফুলের সঠিক প্রজাতি চেনা থাকতে হতে পারে ব্যাপক লাভ।

    উত্তর দিনাজপুরের কালিয়াগঞ্জের এক ফুল চাষি যেমন বারোমাসি জবা ফুলের চাষ করে তাক লাগিয়েছেন। জানা যাচ্ছে, এই অঞ্চলে জবা ফুল, সর্বোপরি ভাল মানের জবা ফুলের চাহিদা ব্যাপক। সেদিকে নজর রেখে মহারাষ্ট্রের পুণে ভ্যারাইটির জবা চাষ শুরু করে ফুল চাষি তারা প্রসাদ।

    এমনিতে অন্যান্য জবা ফুল সারা বছর ফুটলেও শীতকালে তেমন ফোটে না। কিন্তু পুণে ভ্যারাইটির জবা বারো মাস ফোটে। এমনকি সঠিক পরিচর্যা করলে ছোট অবস্থাতেই গাছগুলি ভাল ফুল দেয় বলে খবর।

    জানা গিয়েছে, যে কোনও মাটিতেই এই বিশেষ ধরনের জবা চাষ করা যায়। তবে বেলে-দোঁয়াশ মাটি এই চাষের জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত। সার মিশিয়ে মাটি তৈরি করা হলে ভাল ফুল পাওয়া যায়। এছাড়া সপ্তাহে একদিন পচা খৈল দিয়ে গাছের যত্ন করতে হয়।

    আরও জানা গিয়েছে, বর্ষার আগে এবং শীতের সময় গাছের গোড়ায় মাটি খুঁড়ে সার দিতে হয়। কেউ চাইলে পুকুরের পাঁকও দিতে পারেন। এতে গাছ খুব তাড়াতাড়ি বাড়ে। তবে অন্যান্য মরশুমের তুলনায় শীতকালে এই গাছের কম জল লাগে। এই সময় গাছের গোড়া যদি বেশি ভিজে থাকে তাহলে গাছটি পচে যেতে পারে।

    এছাড়াও এই বিশেষ জবা চাষের ক্ষেত্রে আরও দু’টি বিষয় মাথায় রাখতে হয় বলে জানা গিয়েছে। জমি সবসময় আগাছামুক্ত রাখতে হয় এবং বছর দু’বার গাছ ছেটে দিতে হয়। মূলত ভাদ্র-আশ্বিন এবং ফাল্গুন-চৈত্র মাসে গাছ ছেটে দেওয়ার কাজ করে দেওয়া যেতে পারে।

    সব মিলিয়ে, এই বারোমাসি জবা চাষ করে কালিয়াগঞ্জের কৃষক ভাল আয়ের দিশা খুঁজে নিয়েছেন। তাঁর দেখানো পথে হেঁটে অন্যান্যরাও চাইলে এই বিশেষ জবা চাষ শুরু করতে পারেন।
  • Link to this news (News18 বাংলা)