আরজি কর হাসপাতালের সেই সেমিনার হলে যেন কেউ না ঢোকে, নির্দেশ কলকাতা হাইকোর্টের। মঙ্গলবার বিচারপতি শম্পা সরকার ও বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষের ডিভিশন বেঞ্চ নির্দেশ দিয়েছে, আপাতত কাউকে ঘটনাস্থলে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হচ্ছে না। আইনি সওয়াল জবাবের পরে কোর্ট বিবেচনা করবে। এই মামলার পরবর্তী শুনানি ২১ মে। আগামী শুনানিতে তদন্তের অগ্রগতির রিপোর্ট-সহ কেস ডায়েরি জমা দিতে হবে সিবিআইকে।
আরজি করে ডাক্তারি পড়ুয়ার ধর্ষণ খুন মামলায় অকুস্থল হিসেবে প্রথম থেকেই সেমিনার হলকে চিহ্নিত করেছেন তদন্তকারীরা। সেমিনার হল বর্তমানে সিল করা আছে। তবে সিবিআই সেমিনার হলকে অকুস্থল বলে দাবি করলেও মৃতের পরিবারের দাবি তার পাশে আরও একটি ঘর আছে, যেখানে সে দিনের ঘটনা ঘটে থাকতে পারে। এমনকী সাত তলার ওটি রুম নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে নির্যাতিতার পরিবারের মনে। যে ঘর এখন খোলা বলে আদালতে দাবি করা হয়েছে।
সিবিআইয়ের তরফে জানানো হয়, দেহ সেমিনার হল থেকে পাওয়া যায়। তাই ওই ঘরকেই অকুস্থল চিহ্নিত করে সিল করা আছে। একই সঙ্গে সিবিআইয়ের আইনজীবী সওয়াল করেন, ‘নিম্ন আদালত মেনে নিয়েছে যে একজন ব্যক্তি খুন করেছে। সেখানে নিম্ন আদালতের ওই রায় মান্যতা দিলে নতুন করে তদন্তের নির্দেশ দেওয়ার সুযোগ কোথায়?’
নির্যাতিতার পরিবারের তরফে জয়ন্তনারায়ণ চট্টোপাধ্যায় বলেন, ‘অন্তত ৩৮টি ত্রুটি আমরা খুঁজে পেয়েছি। আমাদের আবেদন, সিবিআইয়ের নতুন জমা দেওয়া রিপোর্ট আমাদের দেওয়া হোক।’ আদালত জানিয়েছে, আপাতত নিম্ন আদালতের রায় নিয়ে কোনও মন্তব্য করা হচ্ছে না। একই সঙ্গে আদালত জানায়, আপাতত ঘটনাস্থলে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হচ্ছে না। আইনি সওয়াল জবাবের পরে বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেবে আদালত।