মিল্টন সেন,হুগলি: গুড়াপের পর এবার ধনিয়াখালি। ভোট পরবর্তী হিংসার অভিযোগে তিন তৃণমূল কংগ্রেস নেতাকে গ্রেপ্তার করল পুলিশ। ২০২১-এর বিধানসভা নির্বাচনের পর জেলার একাধিক জায়গায় সংঘর্ষ-অশান্তির ঘটনা ঘটে। সম্প্রতি অভিযোগ হয় থানায়। ঘটনার তদন্তে নেমে সোমবার গভীর রাতে অভিযুক্ত তৃনমূল পঞ্চায়েত সদস্য, বুথ সভাপতি-সহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করল ধনিয়াখালী থানার পুলিশ।
মঙ্গলবার ধৃতদের চুঁচুড়া জেলা আদালতে পাঠানো হয়। ধৃতদের মধ্যে রয়েছেন বেলমুড়ি গ্ৰাম পঞ্চায়েতের ২৩১নং বুথের তৃণমূল সদস্য সুশান্ত রায়। ২৩০নং বুথের যুব তৃনমূল সভাপতি সাহেব সরকার। অন্যজন অভিমন্যু রায়। তিনি ওই এলাকার সক্রিয় তৃনমূল নেতা।
ধৃতদের সকলের বাড়ি ধনিয়াখালি থানার বেলমুড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের আকিল পুর এলাকায়। এদিন হুগলি জেলা গ্ৰামীন পুলিশের ডিএসপি প্রিয়ব্রত বক্সি জানান, ২০২১ সালের ৩ মে এক আদিবাসী বিজেপি সমর্থকের বাড়িতে ঢুকে পরিবারের সদস্যদের মারধর করা হয়। বাড়ি ভাঙচুর সহ পরিবারের এক কন্যার শ্লীলতাহানি করে অভিযুক্তরা।
অভিযোগ পাওয়ার পরই পুলিশ তদন্তে নামে এবং ঘটনায় তিনজন তৃণমূল কর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়। এই ঘটনায় আরও চারজন অভিযুক্ত আছে। তাদের খোঁজে তল্লাশি চলছে। এস, এটি আইনের একাধিক ধারায় মামলা রজু করা হয়েছে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে।
এর আগে, ১৮ মে জানা যায়, কাটমানি আদায় ও আগ্নেয়াস্ত্র দিয়ে ভয় দেখিয়ে জমি দখলের অভিযোগে বর্ধমান পুরসভার কাউন্সিলর সাহাবুদ্দিন খান ও সাগর রাউত নামে দু'জনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তাঁদের দু'জনকেই বর্ধমান আদালতে তোলা হয় সোমবারেই।