• আসানসোলে ফাঁড়ি ভাঙচুরের ঘটনায় ধৃত বেড়ে ৩১, দুষ্কৃতীদের থেকে ক্ষতিপূরণ আদায়ে তৎপর পুলিশ
    এই সময় | ১৯ মে ২০২৬
  • আসানসোল উত্তর থানা এলাকায় পুলিশ ফাঁড়ি ভাঙচুরের ঘটনায় গ্রেপ্তার আরও পাঁচ। এর ফলে ধৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩১। একই সঙ্গে সরকারি সম্পত্তি ভাঙচুরের ক্ষতিপূরণ আদায়েও তৎপর পুলিশ প্রশাসন। মঙ্গলবার আসানসোল-দুর্গাপুর কমিশনারেটের পুলিশ কমিশনার প্রণব কুমার স্পষ্ট জানিয়েছেন, জাহাঙ্গির মহল্লার পুলিশ ফাঁড়িতে যাঁরা ভাঙচুর করেছেন, প্রত্যেককে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। কেউ যদি এই ক্ষতিপূরণ দিতে অস্বীকার করেন, তবে তাঁর বিরুদ্ধে আইনানুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সোমবার রাজ্য সরকারের তরফ থেকে এই বিষয়ে একটি কড়া নির্দেশ দেওয়া হয়। তার পরে মঙ্গলবার পুলিশ ওই এলাকায় মাইকিং করতে শুরু করে।

    ঘটনার সূত্রপাত ১৫ মে শুক্রবার। ওই দিন ধর্মীয় স্থানে মাইক বাজানো নিয়ে জাহাঙ্গির মহল্লায় ফৈজ-এ-আম পুলিশ ফাঁড়িতে একটি বৈঠক ডাকা হয়েছিল। বৈঠক চলাকালীন আচমকা একদল দুষ্কৃতী ফাঁড়িতে হামলা চালায়। তারা ফাঁড়ির বাইরে থাকা পুলিশের গাড়ি এবং বেশ কিছু মোটরবাইক ভাঙচুর করে।

    পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ বাহিনী। তারা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিশ প্রথমে ২৬ জনকে গ্রেপ্তার করেছিল। পরে তল্লাশি চালিয়ে আরও পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করে।

    অন্য দিকে, ঘটনার পরে আসানসোল দক্ষিণ থানার উদ্যোগে রবিবার একটি জরুরি বৈঠক করা হয়। বৈঠকে বিভিন্ন ধর্মীয় সম্প্রদায়ের প্রধানদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। ওই দিনের আলোচনার মূল বিষয় ছিল শব্দদূষণ সংক্রান্ত ২০২০ সালের নির্দেশিকার যথাযথ প্রয়োগ। এ দিনের বৈঠকে উপস্থিত ধর্মীয় নেতাদের কাছ থেকে এই বিষয়ে প্রয়োজনীয় পরামর্শও চেয়েছে পুলিশ।

  • Link to this news (এই সময়)