• প্রোমোটারকে মারধর, তোলাবাজির অভিযোগে গ্রেপ্তার অদিতি মুন্সির স্বামী দেবরাজ ঘনিষ্ঠ ব্যক্তি
    এই সময় | ২০ মে ২০২৬
  • রাজ্যে বিজেপি ক্ষমতায় আসার পরে বেআইনি অস্ত্র রাখার অভিযোগ, তোলাবাজি, হুমকি ও দুর্নীতি নিয়ে কড়া পদক্ষেপ পুলিশ ও প্রশাসনের। এই সব অভিযোগে পুলিশের জালে তৃণমূলের একাধিক নেতা–কর্মী-ঘনিষ্ঠরা। মঙ্গলবার রাতে প্রোমোটারকে মারধর এবং তোলাবাজির অভিযোগে গ্রেপ্তার হলেন অমিত চক্রবর্তী ওরফে ননী নামে এক ব্যক্তি। তিনি বিধাননগর পুরসভার কাউন্সিলার ও MIC দেবরাজ চক্রবর্তীর অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ বলে স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি। এই একই মামলায় আগেই গ্রেপ্তার হয়েছেন বিধাননগর পুরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলার সমরেশ চক্রবর্তী।

    পুলিশ সূত্রে খবর, রঘুনাথপুরের প্রোমোটার কিশোর হালদারকে মারধর এবং তোলাবাজি অভিযোগ ওঠে অমিতের বিরুদ্ধে। এর পরেই রাজারহাট-গোপালপুরের প্রাক্তন বিধায়ক অদিতি মুন্সির স্বামী দেবরাজ চক্রবর্তীর ছায়াসঙ্গী অমিত চক্রবর্তী ওরফে ননীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

    পুলিশের অভিযোগ, ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে বাগুইআটি থানার অন্তর্গত রঘুনাথপুরে স্থানীয় প্রোমোটার কিশোর হালদারের কাছ থেকে ৫০ লক্ষ টাকা তোলা চান অমিত। তিন লক্ষ টাকা দেওয়ার পরে ওই প্রোমোটার বাকি টাকা দিতে অস্বীকার করায় তাঁকে বন্দুকের বাট এবং রড দিয়ে বেধড়ক মারধর করা হয়। মারধরের চোটে গুরুতর আহত হন তিনি। এর পরেই বাগুইআটি থানায় অভিযোগ দায়ের করেন ওই প্রোমোটার। এই অভিযোগের ভিত্তিতে তৃণমূল কংগ্রেসের কাউন্সিলার সমরেশ চক্রবর্তীকে আগেই গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। এ বার গ্রেপ্তার হলেন অমিত চক্রবর্তী।

    ২০২৪–এর ১৬ ডিসেম্বর অন্য এক প্রোমোটারকেও মারধরের অভিযোগ উঠেছিল বাগুইআটি এলাকার কাউন্সিলার সমরেশের বিরুদ্ধে। অভিযোগ, প্রোমোটারের কাছে মোটা টাকা দাবি করেছিলেন তিনি। বিষয়টি জানাজানি হতেই এলাকা ছাড়েন সমরেশ। পরে থানায় গিয়ে আত্মসমর্পণ করে আগাম জামিনও নেন। কিন্তু সমরেশের বিরুদ্ধে ফের তোলাবাজির অভিযোগ ওঠে। ফের বিধাননগর পুরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ওই তৃণমূল কাউন্সিলারের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের হয়। রাজ্যে পালাবদলের পর সেই FIR-র ভিত্তিতেই সমরেশ ওরফে চিন্টুকে গ্রেপ্তার করে বাগুইআটি থানা। সমরেশেরও সঙ্গী ছিলেন অমিত চক্রবর্তী ওরফে ননী।

  • Link to this news (এই সময়)