আজকাল ওয়েবডেস্ক: অভিষেকের সম্পত্তির পরিমাণ কত? কোথায় কোথায় রয়েছে সেসব সম্পত্তি? গত কয়েকদিন ধরে রাজ্য জুড়ে চর্চা ব্যাপক তা নিয়ে। কেএমসি'র নোটিস নিয়েও চর্চা হচ্ছে। এসবের মাঝেই অভিষেকের সম্পত্তি প্রসঙ্গে যৌথ মালিকানায় উঠে আসে আচমকা সায়নী ঘোষের নাম। সোমবার থেকে সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশকিছু পোস্ট ভাইরাল হয়, যার মর্মার্থ, অভিষেক ব্যানার্জির সঙ্গে যৌথ মালিকানায় সম্পত্তি রয়েছে সায়নী ঘোষের। কেউ কেউ প্রশ্ন তোলেন এই সায়নী ঘোষ কি তৃণমূল সাংসদ সায়নী ঘোষ?
সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে সায়নী ঘোষ লিখেছেন, কয়েকটি ফরোয়ার্ড করা মেসেজ পেলাম যেখানে জনৈক অভিষেক ব্যানার্জি এবং সায়নী ঘোষের ১৯ডি সেভেন ট্যাঙ্কস রোড, কলকাতা ৭০০০৩০ ঠিকানায় যৌথ সম্পত্তির উল্লেখ করা আছে। কোনও মোবাইল নম্বর ছাড়াই এবং প্রেমিসেসের বানানও ভুল।
আমি জানি না এই সায়নী ঘোষ কে? তবে এটা নিশ্চিত, যে সায়নী ঘোষ একটি সাধারন পরিশীলিত মধ্যবিত্ত পরিবার থেকে উঠে এসেছে, যে কোনো রাজনৈতিক পরিচয়কে কাজে লাগিয়ে আজ পর্যন্ত কোনো রকম সম্পত্তির অধিকারী হয়নি, সে নয়।
আমি আমার কেন্দ্রের সমস্ত ভোটারদের এবং রাজ্যর সকল মানুষকে বলতে চাই, লোকসভা নির্বাচনের সময় আমার ঘোষিত এফিডেভিটে আমার আর্থিক অবস্থানের ওপর সম্পূর্ণ আস্থা রাখার জন্য। আপনারা অনায়াসেই সেই রেকর্ড দেখে নিতে পারেন, এবং সেই সঙ্গে যাঁরা কোনও রকম তথ্য প্রমাণ ছাড়া আমার মানহানি করার এই খেলা শুরু করেছেন তাঁদের উদ্দেশে বলি, খেলাটি এই মুহূর্তে বন্ধ করুন।
অনুগ্রহ করে জেনে রাখুন এই মিথ্যা অপবাদের সামনে আমি কোনওভাবেই নতি স্বীকার করব না এবং মিথ্যা খবর ছড়ানোর জন্য আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এই 'ঘোষ' কোনও অন্যায় অপবাদের শিকার হয়ে, ভয় পেয়ে গুটিয়ে যেতে আসেনি।
একেবারে শেষে রবিঠাকুরের 'চিত্ত যেথা ভয় শূন্য, উচ্চ যেথা শির' উল্লেখ করে সায়নী লিখেছেন, 'পুনশ্চ: আমি কবিগুরুর দেশের মানুষ।'
অন্যদিকে অভিষেকের সম্পত্তি ইস্যুতে তৃণমূল কংগ্রেস জানিয়েছে, 'বিজেপি কর্তৃক ‘আন-অফিশিয়ালি’ ফাঁস করা কেএমসি (KMC)-র একটি নোটিশ সংক্রান্ত কিছু সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন এবং পোস্ট আমাদের নজরে এসেছে। সেখানে সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের (AITC) সাধারণ সম্পাদক তথা মাননীয় সাংসদ অভিষেক ব্যানার্জির সঙ্গে যুক্ত একাধিক সম্পত্তির কথা তুলে ধরা হয়েছে এবং এই ঘটনার সঙ্গে অন্যান্য নেতাদেরও জড়ানোর চেষ্টা করা হয়েছে। গত কয়েক দিন ধরে চলা এই নোটিস এবং সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনগুলো সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানানো এবং এর কোনও বিশ্বাসযোগ্যতা নেই।'