আজকাল ওয়েবডেস্ক: মমতার হাত ধরে রাজনীতিতে এগিয়ে গিয়েছিলেন কয়েক কদম। তারপর সম্পর্কে ছেদ। লড়াই বিপরীতে দাঁড়িয়ে এবং সেই মমতাকেই গুণে গুণে গোল। একবার নয়, পরপর দুবার। 'মেজো বোন' নন্দীগ্রামে মমতা ভোট লড়েছিলেন সেখানকার ঘরের ছেলের বিরুদ্ধে। এই ভোটে মমতা 'ঘরের মেয়ে' ছিলেন ভবানীপুরে। কিন্তু সেই 'বড় বোন'-এর কাছেও হার। ভোটের আগে থেকেই শুভেন্দু অধিকারী বারবার বলেছিলেন, তিনি মমতা ব্যানার্জিকে হারাবেন ভবানীপুর থেকেও। হলও তাই। ভোটে জিতে শুভেন্দু ঋণ শোধ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
এবার তিনি ভবানীপুরে, অর্থাৎ মমতা ব্যানার্জির পাড়াতেই খুলবেন বিধায়ক কার্যালয়। সোমবার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ভবানীপুর বিধানসভার ৬৩ নম্বর ওয়ার্ডের ক্যামাক স্ট্রিটে বিজয় সভায় গিয়েছিলেন। সেই সভা থেকেই তিনি জানিয়েছিলেন 'ভবানীপুরবাসীকে ধন্যবাদ'। ভবানীপুরের বাসিন্দাদের যে কোনও সমস্যা হলে সমাধানের জন্য নির্দিষ্ট ফোন নম্বর এবং ইমেল আইডি চালু করার কথা জানিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। পাশাপাশি প্রত্যেকটি ওয়ার্ডে বিধায়ক কার্যালয় খোলা হবে বলেও জানান। সঙ্গেই এও জানান, বাকি সব ওয়ার্ডে বিধায়কের কার্যালয় খুললেও, শুধুমাত্র ৭৭ নম্বর ওয়ার্ডে এই কার্যালয় খোলা হবে না।
সূত্রের খবর আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই প্রত্যেকটি ওয়ার্ডে এই কার্যালয় খোলার কাজ শুরু হবে। এই কার্যালয়ে ভবানীপুরবাসীরা গিয়ে তাঁদের সমস্যার কথা জানাতে পারবেন। সেই কার্যালয়ে একজন দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিনিধি থাকবেন। তিনি সমস্ত বিষয় নজর রাখবেন। মুখ্যমন্ত্রী নিজেও মাঝে মাঝে সেই কার্যালয়ে থাকবেন এমনটাই সূত্রের খবর।
যেমন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ইতিমধ্যেই গত সোমবার সল্টলেকের বিজেপি কার্যালয়ে জনতার দরবার করেছিলেন। সেটি ছিল গোটা পশ্চিমবঙ্গবাসীর জন্য। শুভেন্দু অধিকারী নন্দীগ্রাম ও ভবানীপুর দুই বিধানসভায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন এই নির্বাচনে। দুই বিধানসভা আসনেই জয়লাভ করলেও নন্দীগ্রাম বিধানসভা আসন ছেড়ে দিয়েছেন, বর্তমানে তিনি ভবানীপুরের বিধায়ক। সেই কারণেই গোটা রাজ্যবাসীর জন্য জনতা দরবার করার পাশাপাশি ভবানীপুরবাসীর জন্যও তাদের সমস্যার সমাধানে বিধায়ক কার্যালয় খুলবেন।