ভোট পরবর্তী হিংসায় জিরো টলারেন্স! স্বাস্থ্য আধিকারিক হেনস্তায় ৪ নেতার বিরুদ্ধে পদক্ষেপ বিজেপির
প্রতিদিন | ২০ মে ২০২৬
দলীয় শৃঙ্খলায় বিজেপির ‘জিরো টলারেন্স’! দলের রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের কড়া বার্তা প্রতিফলিত হল পুরুলিয়ায়। ভোট পরবর্তী হিংসায় জড়িত থাকার ঘটনায় বিজেপির পুরুলিয়া জেলা পরিষদের সদস্য তথা বিধানসভার আহ্বায়ক, মণ্ডল সভাপতি-সহ ৪ জনকে শো-কজের চিঠি ধরাল বিজেপির শৃঙ্খলারক্ষা কমিটি। এই ঘটনায় একেবারে হৈ চৈ বেঁধে গিয়েছে পুরুলিয়া গেরুয়া শিবিরে।
বঙ্গ বিজেপির শৃঙ্খলারক্ষা কমিটি সূত্রে জানা গিয়েছে, শো-কজ হওয়া ওই ৪ নেতা হলেন পুরুলিয়া জেলা পরিষদের সদস্য তথা বাঘমুন্ডি বিধানসভার কনভেনার রাকেশ মাহাতো, বাঘমুন্ডির একটি মণ্ডল সভাপতি অরুণচন্দ্র মাঝি ও ওই ব্লকের দুই বিজেপি নেতা মোহন সিং দেও ও মিঠুন কুমার। তাদের বিরুদ্ধে বিধানসভা নির্বাচনে ফলাফল প্রকাশের পরবর্তী সময়ে সরকারি স্বাস্থ্য আধিকারিকের উপর ভয়-ভীতি প্রদর্শন, অকথ্য ভাষায় হুমকি এবং তাঁকে শারীরিকভাবে হেনস্তা ও সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার মত একাধিক দল বিরোধী কার্যকলাপে শো-কজ করা হয়েছে।
বঙ্গ বিজেপি শৃঙ্খলারক্ষা কমিটির প্রধান প্রতাপ বন্দ্যোপাধ্যায় ওই কারণ দর্শানোর চিঠিতে লিখেছেন, পশ্চিমবঙ্গ বিজেপি শৃঙ্খলা রক্ষা কমিটির সুপারিশে ও রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য মহাশয়ের নির্দেশ অনুসারে দল বিরোধী কার্যকলাপের জন্য ৭ দিনের মধ্যে ওই দলবিরোধী কার্যকলাপের কারণ পত্রদ্বারা জানাতে হবে এবং আগামী নির্দেশ না পাওয়া অবধি সমস্ত রকম দলীয় কাজ থেকে বিরত থাকতে হবে। পুরুলিয়া জেলা বিজেপি সূত্রে জানা গিয়েছে, বিজেপির জেলা পরিষদ সদস্য রাকেশ মাহাতোর নির্বাচনে দলের কাজ নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন একাধিক নেতা-কর্মী।
বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য শুরু থেকেই বঙ্গে রাজনৈতিক সংস্কৃতি বদলের কথা বলে আসছেন। কর্মীদের ভোটপরবর্তী হিংসা থেকে বিরত থাকার কথা বলে আসছেন, সেটা যে শুধু কথার কথা নয়, তা বিজেপির পদক্ষেপেই স্পষ্ট।