• ক্ষত সারাতে কল্যাণী AIIMS-এ লেজার প্রযুক্তি! উত্তরবঙ্গেই হবে রাজ্যের দ্বিতীয় এইমস, জানালেন শমীক
    News18 বাংলা | ২০ মে ২০২৬
  • রঞ্জিত সরকার, নদিয়া: বুধবার নদিয়ার কল্যাণী AIIMS-এ লেজার ইউনিট উদ্বোধন করেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠান থেকেই একাধিক বড় ঘোষণা করলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি৷ রাজ্যে দ্বিতীয় AIIMS হবে উত্তরবঙ্গে, জানিয়ে দিলেন শমীক ভট্টাচার্য৷ পাশাপাশি রাজ্যে স্বাস্থ্য ব্যবস্থা নিয়েও সরব তিনি৷ ফের দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ নিয়েও সতর্ক করলেন তিনি৷

    এদিন নদিয়ার কল্যাণী AIIMS-এ লেজার ইউনিট উদ্বোধন করেন শমীক ভট্টাচার্য৷ মূলত, শরীরের যে কোনও ক্ষত সারাতে অত্যাধুনিক মেশিনের দ্বারা সরানো সম্ভব। কল্যাণী এইমসে এই ধরনের অত্যাধুনিক মেশিন এই প্রথমবার বসানো হল। উদ্বোধনের পর শমীক ভট্টাচার্য বলেন, ‘‘শরীরের যে কোনও ক্ষত সারাতে এই অত্যাধুনিক মেশিন আবশ্যক। যা প্রথম এইমসে বসানো হল। AIIMS উচ্চমানের আধুনিক পরিষেবা দিয়ে থাকে। এই লেজার ইউনিট চালু হওয়ায় রোগীরা আরও বেশি সুবিধা পাবেন।’’

    এদিন শমীক ভট্টাচার্য বলেন, ‘‘বিজেপির যারা এইসব করছেন তারা ৪ ঘণ্টার বিজেপি। ওগুলো যেটা দেখছেন তৃণমূল কংগ্রেসের অভ্যন্তরীণ গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের ফসল মাত্র। বিজেপি নীতিগতভাবে কোনও নির্বাচিত সরকারকে বা নির্বাচিত বডিকে ফেলে দেওয়ার পক্ষে নয়। এই পথ আমাদের নয়। দল তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে। অতি উৎসাহী কিছু নেমে পড়েছেন ময়দানে। সে যত বড়ই পার্টি নেতা হোক বা বিধায়কও যদি হয় যে পঞ্চায়েত বদল করে দিচ্ছে তাকেও দলীয় শৃঙ্খলার সামনে পড়তে হবে। তার উপরেও শৃঙ্খলা ভঙ্গের খাড়া নেমে আসবে।’’

    আরও পড়ুন: ‘রিমোট কন্ট্রোল পাকিস্তানের হাতে’! প্রধানমন্ত্রীকে আক্রমণ করতেই রাহুলকে পাল্টা কটাক্ষ বিজেপির

    ‘‘নির্বাচনের আগে আধুনিক শিক্ষা ও স্বাস্থ্য ব্যবস্থার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম। সরকারকে একটু সময় দিন। সব জায়গায় একটা রাজনীতি চাপিয়ে দেওয়া হয়েছিল। দল ও সরকার সেখান থেকে বের করে আনবে’’, রাজ্যের হাসপাতালের খারাপ অবস্থা প্রসঙ্গে বলেন শমীক৷

    রাজ্যে নতুন AIIMS নিয়েও বড় ঘোষণা করলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি৷ বুধবার নদিয়া থেকেই তিনি বলেন, ‘‘উত্তরবঙ্গে নতুন AIIMS তৈরী হবে। রাজ্যে দ্বিতীয় এআইআইএমএস হবে।

    উত্তর পূর্ব ভারতের দ্বার।’’

    ‘এক বছর সময় দিন সব পাল্টে যাবে’, নদিয়া থেকেই ভরসার বার্তা শমীকের৷ ফলতায় পুনর্নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘‘ফলতায় তো আগে নির্বাচন হত না। সাধারণ মানুষ রাস্তায় নেমে পড়েছিল। তৃণমূলকে আহ্বান করা হয়েছিল প্রচার করার জন্য। তৃণমূলের পতাকা লাগানোর কোনো লোক নেই। বিজেপির পতাকা খোলার লোক নেই।’’
  • Link to this news (News18 বাংলা)