• দীর্ঘদিন দাবি জানাচ্ছিলেন রাহুল গান্ধী, এবার জাতগণনায় ‘সায়’ সুপ্রিম কোর্টেরও
    প্রতিদিন | ২১ মে ২০২৬
  • দেশের অনগ্রসর শ্রেণির বা সংরক্ষণের বাইরে পিছিয়ে পড়া শ্রেণির মানুষের সংখ্যাটা ঠিক কত, সেই তথ্য থাকা উচিত সরকারের কাছে। এবার জাতগণনায় পক্ষেই একপ্রকার সায় দিল শীর্ষ আদালত। সুপ্রিম কোর্ট জানাল, জাতগণনা হবে কিনা, সেই সিদ্ধান্ত সরকারের। তাতে আদালত হস্তক্ষেপ করবে না। তবে, সমাজে পিছিয়ে পড়া মানুষদের উন্নতির স্বার্থেই সরকারের কাছে এই সংক্রান্ত তথ্য থাকা দরকার।

    এ বছর জনগণনার সঙ্গে সঙ্গে জাতিগত জাতগণনার (Caste Census) সিদ্ধান্তও ঘোষণা করেছে কেন্দ্র। সেটা যাতে না করা হয়, সেই মর্মে সুপ্রিম কোর্টে একাধিক আবেদন জমা পড়েছে। তবে শীর্ষ আদালত ওই জাতগণনায় কোনও নিষেধাজ্ঞা বা স্থগিতাদেশ দিল না। সুপ্রিম কোর্টের বক্তব্য, “জাতিগত জনগণনা হওয়া উচিত কি না সেটা সরকারের নীতিগত সিদ্ধান্ত। তাতে আদালত হস্তক্ষেপ করবে না।” শীর্ষ আদালত বলছে, “সমাজে পিছিয়ে পড়া মানুষদের উন্নতির স্বার্থেই সরকারের কাছে এই সংক্রান্ত তথ্য থাকা উচিত।”

    মামলাকারীদের বক্তব্য ছিল, জাতিগত জনগণনা হলে সেই তথ্যের অপব্যবহার হতে পারে। সামাজিক ও রাজনৈতিক ক্ষেত্রে নানাবিধ জটিলতা তৈরি হতে পারে। কিন্তু সেই তত্ত্বকে গুরুত্ব দিল না সুপ্রিম কোর্ট। তাছাড়া জনগণনার মধ্যে জাতগণনাকে রাখা হবে কিনা, সেটা নীতিগত সিদ্ধান্ত। আদালত সেটার পর্যালোচনা করতে পারে না।

    লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী জাতিগত জনগণনার দাবিতে বহুদিন আগেই সরব হয়েছিলেন। বাকি বিরোধী দলগুলির তরফেও একই দাবি করা হয়েছিল। এনডিএ শরিক দল এলপিজি প্রধান সাংসদ চিরাগ পাসওয়ান, জেডিইউ প্রধান নীতীশ কুমার বার বার জাতগণনার দাবিতে সরব হয়েছে। এমনকি খোদ আরএসএসও জাতগণনার পক্ষে মত দিয়েছে। বিহার-সহ দেশের একাধিক রাজ্যও আলাদা আলাদাভাবে জাত গণনার পথে হেঁটেছে। শেষে একপ্রকার বাধ্য হয়ে মোদি সরকারও জাতগণনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
  • Link to this news (প্রতিদিন)