শপথের পর প্রথম দিল্লি সফর মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর, সাক্ষাৎ হতে পারে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গেও
প্রতিদিন | ২১ মে ২০২৬
মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নেওয়ার দু’সপ্তাহের মধ্যে দিল্লি যাচ্ছেন শুভেন্দু অধিকারী। বৃহস্পতিবার সন্ধেয় রাজধানীতে পা রাখতে পারেন মুখ্যমন্ত্রী। দিল্লিতে তাঁর একাধিক কর্মসূচি রয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদির সঙ্গেও সাক্ষাৎ হতে পারে বলে খবর।
গত ৯ মে মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিয়েছেন শুভেন্দু। শুরু থেকেই সংকল্পপত্রে দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলি পূরণের লক্ষ্যে বদ্ধপরিকর সরকার। ইতিমধ্যেই অন্নপূর্ণ যোজনা, মহিলাদের বিনামূল্যে বাস পরিষেবা, বিএসএফকে সীমান্তে জমি হস্তান্তর, স্বচ্ছতার উদ্দেশে স্বচ্ছ ভারত মিশন চালু, আয়ুষ্মান ভারতের মতো কেন্দ্রীয় প্রকল্প রাজ্যে চালুর সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছে নয়া সরকার। এই আবহেই বৃহস্পতিবার সন্ধেয় দিল্লি উড়ে যাচ্ছেন শুভেন্দু অধিকারী। সূত্রের খবর, দিল্লি সফরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে সাক্ষাৎ হতে পারে তাঁর। এই মুহূর্তে প্রধানমন্ত্রী ইটালিতে রয়েছেন। বৃহস্পতিবার দেশে ফিরবেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁর সাক্ষাৎও শুক্রবারই হওয়ার সম্ভাবনা।
এমনিতে শুভেন্দু অধিকারী দিল্লিতে গেলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর সঙ্গে দেখা করেন। বিরোধী দলনেতা থাকাকালীনও এটা তাঁর নিয়মিত রুটিন ছিল। এবারও সেটার ব্যতিক্রম হবে না বলেই মনে করা হচ্ছে। বুধবার রাতেই দিল্লি পৌঁছনোর কথা বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের।
বস্তুত, শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে বঙ্গে শপথ নিয়েছেন পাঁচ মন্ত্রী। ফলে দ্রুত রাজ্যের মন্ত্রিসভার সম্প্রসারণ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। জানা গিয়েছে, মুখ্যমন্ত্রী মন্ত্রীসভায় যাঁদের রাখতে চাইছেন সেই তালিকা ইতিমধ্যেই দিল্লির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব ও সঙ্ঘের দপ্তরে পাঠিয়ে দিয়েছে দল। এখন অনুমোদনের অপেক্ষায়। কিন্তু শপথের পরে ১০ দিন কেটে গেলেও সঙ্ঘের অনুমদন মেলেনি। তাই সঙ্ঘ ও দলের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে কথা বলে চূড়ান্ত সিলমোহর আনতেই তাঁর দিল্লি যাত্রা। তবে আরও একটি কারণ হলো, অর্থের সংস্থান। দিল্লি সফরে মুখ্যমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী ছাড়াও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ও অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে পারেন বলে সূত্রের খবর। বিগত সরকারের সময় থেকেই ঋণে জর্জরিত রাজ্য। চরম অর্থাভাবে ভুগছে সরকার। কীভাবে সেই অর্থাভাব কাটিয়ে রাজ্যকে আর্থিকভাবে স্বাভলম্বী করা যায় তা নিয়ে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা হতে পারে। সেই সঙ্গে বিভিন্ন কেন্দ্রীয় প্রকল্পের অর্থ ছেড়ে দিতে নির্মলা সীতারমনের কাছে আবেদন জানাবেন বলে জানা গিয়েছে।