এই সময়, নয়াদিল্লি: রাজ্য মন্ত্রিসভায় কাদের ঠাঁই হবে, তা নিয়ে কৌতূহল বাড়ছে রাজনৈতিক মহলে। ইতিমধ্যেই শপথ নিয়েছেন অগ্নিমিত্রা পাল, দিলীপ ঘোষ, নিশীথ প্রামাণিক, অশোক কীর্তনিয়া এবং ক্ষুদিরাম টুডু৷ সূত্রের খবর, মন্ত্রিসভার বাকি সদস্য কারা হবেন, তা নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, দলের রাজ্য সম্পাদক শমীক ভট্টাচার্য–সহ দলের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে এক প্রস্ত আলোচনা সেরে ফেলেছেন বিজেপির কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক ও সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক সুনীল বনসল৷ সেইমতো সম্ভাব্য মন্ত্রীদের একটি তালিকাও তৈরি হয়েছে বলে খবর। দলের সর্বোচ্চ নেতৃত্বের অনুমোদনের পরেই তাতে সিলমোহর পড়বে।
দিল্লিতে বিজেপি সূত্রের দাবি, এই তালিকায় রয়েছে একাধিক দলিত বিজেপি বিধায়কের নাম৷ কারণ দল মনে করে, এঁদের মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত করার প্রশাসনিক এবং রাজনৈতিক তাৎপর্য দীর্ঘমেয়াদি। এ বারের বিধানসভা নির্বাচনে রাজ্যের দলিত অধ্যুষিত অঞ্চলগুলিতে বিজেপি খুবই ভালো ফল করেছে৷
রাজ্যের ২৯৪টি আসনের মধ্যে ৬৮টি সংরক্ষিত ছিল তফশিলি জাতির প্রার্থীদের জন্য। এর ৫১টিতে জয়ী হয়েছে পদ্ম–শিবির৷ তফশিলি উপজাতিদের জন্য সংরক্ষিত ১৬টি আসনের সবক’টিতে জিতেছেন বিজেপি প্রার্থীরা৷ ফলে মন্ত্রিসভার সম্প্রসারণে এই সব এলাকার বিধায়করা গুরুত্ব পাচ্ছেন বলে সূত্রের খবর।
নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক প্রথম সারির এক বিজেপি নেতার যুক্তি, ‘রাজ্য মন্ত্রিসভার সম্প্রসারণে উত্তর এবং দক্ষিণবঙ্গের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষার পাশাপাশি শহর আর গ্রামের ভারসাম্যও রাখা জরুরি। শুধু শহুরে বিধায়করাই গুরুত্ব পাবেন আর গ্রামের প্রান্তিক শ্রেণির বিধায়করা পাবেন না — বিজেপি এই ধারণায় চলে না। আমাদের দলে প্রান্তিক শ্রেণির প্রতিনিধিরাও তথাকথিত এলিট সমাজের প্রতিনিধিদের সমান মর্যাদা এবং গুরুত্ব পান৷ সব কা সাথ সব কা বিকাশের নীতিতে পারফর্ম্যান্সই শেষ কথা।’