২৯ এপ্রিল ভোট হয়েছিল। তবে একাধিক অভিযোগ থাকায় দক্ষিণ ২৪ পরগনার ফলতা আসনে পুনর্নির্বাচন (Falta Re-Poll) ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। আজ, বৃহস্পতিবার ফলতায় ভোট। সকাল থেকে লাইনে দাঁড়িয়ে ভোটাররা। কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা নিরাপত্তায়। রয়েছে ৩৫ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। প্রতিটি বুথের সুরক্ষায় মোতায়েন করা হয়েছে এক সেকশন করে কেন্দ্রীয় জওয়ান। ফলতা আসনে কার্যত বিজেপির কোনও প্রতিদ্বন্দ্বিই নেই বলা চলে। কারণ ভোটের ৪৮ ঘণ্টা আগে তৃণমূল প্রার্থী জাহাঙ্গির খান ঘোষণা করেছেন তিনি লড়াইয়ে নেই। যদিও ইভিএমে রয়েছে তাঁর।
ছাব্বিশের নির্বাচনকে সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করতে একাধিক পদক্ষেপ করেছিল নির্বাচন। যা একশো শতাংশ সফল যে হয়েছিল, তা বলাই বাহুল্য। এবছর এক অন্যরকম ভোট দেখেছে বাংলা। অশান্তি-রক্তপাতহীন ভোট। যদিও দু-এক জায়গা থেকে সামান্য অশান্তির খবর এসেছিল। সেই তালিকায় ছিল ফলতা। সেখানকার একাধিক বুথের ইভিএমে টেপ ও আতর লাগিয়ে রাখা হয়েছিল বলে অভিযোগ তোলেন ভোটাররা। অভিযোগ পেয়ে তদন্ত করে কমিশন। খতিয়ে দেখা হয় ওয়েব কাস্টিং ব্যবস্থা। তাতেই গোলযোগ ধরা পড়ে। এরপরই ফলতায় পুনর্নিবাচন ঘোষণা করে কমিশন।
সেই মতোই আজ, বৃহস্পতিবার সকাল সাতটায় ফলতায় শুরু হয়েছে উপনির্বাচন। এদিন ২৮৫টি বুথে চলছে ভোটগ্রহণ। নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলা হয়েছে গোটা এলাকা। মোতায়েন রয়েছে মোট ৩৫ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। সব বুথে রয়েছে ওয়েব কাস্টিংয়ের ব্যবস্থা। অপ্রীতিকর পরিস্থিতি মোকাবিলায় ঘটনাস্থলে রয়েছে কুইক রেসপন্স টিম। উল্লেখ্য, ফলতায় ভোটের লড়াইয়েই নেই তৃণমূল। এবার সম্মুখসমরে বিজেপি-সিপিএম ও কংগ্রেস।