• রাতে হাসপাতালে পৌঁছাতে প্রবীণদের জন্য হেল্পলাইন, উদ্যোগী দমদমের নতুন বিধায়ক
    বর্তমান | ২১ মে ২০২৬
  • নিজস্ব প্রতিনিধি, বরানগর: ছেলে-মেয়ে অন্যত্র থাকেন। বাড়িতে একা থাকেন বহু প্রবীণ। বিপদের সময় অসহায় হয়ে পড়েন তাঁরা। দমদমের একাধিক আবাসনে এমন অনেকে থাকেন। মাঝরাতে তাঁরা সমস্যায় পড়লে পাশে দাঁড়াবেন বিধায়ক। বুধবার এ কথা জানান দমদমের বিধায়ক অরিজিৎ বক্সি। প্রবীণদের জন্য দুর্গাপুজোর আগেই চালু করা হবে একটি আলাদা হেল্পলাইন। সন্ধ্যা থেকে ভোরবেলা পর্যন্ত কাউকে হাসপাতালে পৌঁছে দেওয়া, অ্যাম্বুল্যান্স জোগাড় করার মতো গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলি করবে বিধায়কের তৈরি করে দেওয়া একটি স্বেচ্ছাসেবী দল। 

    নির্বাচনের প্রচারে দমদমের অলিগলি চষে ফেলেছিলেন অরিজিৎবাবু। হাতেগোনা কয়েক জন মাত্র কর্মীকে সঙ্গে নিয়ে পৌঁছেছেন বাড়ি বাড়ি। পানীয় জল, নিকাশি ব্যবস্থা, প্রমোটারি রাজ নিয়ে সরব হয়েছিলেন। তা করে তিনবারের বিধায়ক এবং রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুকে হারিয়েছেন দমদমে। এবার ভোট মেটার পর নতুন ও অভিনব উদ্যোগ নেওয়া শুরু করেছেন নবনির্বাচিত বিধায়ক।  দমদম শহরের বিভিন্ন আবাসন ও বাড়িতে বয়স্কদের সংখ্যা বাড়ছে। তাঁদের অনেকেরই ছেলে-মেয়ে কর্মসূত্রে বাইরে থাকেন। আবার বহু মানুষ আবাসনে থাকেন। তাঁদের তেমন কোনও পরিচিত কেউ নেই। রাতে আচমকা কেউ অসুস্থ হলে অ্যাম্বুল্যান্সের খোঁজ পেতে অনেকে হিমশিম খান। কারও হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার মতো কেউ নেই। এইসব সমস্যার সমাধানে নতুন হেল্পলাইন নম্বর চালু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন অরিজিৎবাবু। মানুষ স্বাস্থ্য সংক্রান্ত সমস্যায় ফোন করলে বিধায়কের স্বেচ্ছাসেবী দল সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেবে। অরিজিৎবাবু বলেন, ‘কয়েকদিন আগেও দমদমের বন্ধ ঘর থেকে এক বৃদ্ধের পচাগলা দেহ উদ্ধার হয়েছে। বাড়িতে ছেলে-মেয়ে কেউ ছিলেন না। কোনো হেল্পলাইন নম্বর থাকলে হয়ত এমন পরিণতি হত না। আমি বিধায়ক হিসেবে নয় দমদমের ছেলে হিসেবে প্রত্যেকের পাশে দাঁড়াতে নতুন হেল্পলাইন নম্বর চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছি। ইতিমধ্যেই একাধিক এজেন্সির সঙ্গে কথা হয়েছে। আশা করছি পুজো নাগাদ এই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত করতে পারব। যেখানে মানুষ ফোন করলে অ্যাম্বুল্যান্স পরিষেবা বা হাসপাতালে পৌঁছে দেওয়ার কাজ করা হবে।’
  • Link to this news (বর্তমান)