• ‘ফলতার মানুষ স্বাধীনতা পেয়েছেন…’, জয়ের মার্জিন নিয়ে কী আশা BJP প্রার্থীর?
    এই সময় | ২১ মে ২০২৬
  • ফুরফুরে মেজাজে রয়েছেন। সকাল থেকেই বিভিন্ন বুথ ও এলাকায় ঘুরছেন। মাঝে ক্ষণিকের বিশ্রাম। প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী খেলা ছেড়ে মাঠ থেকে বেরিয়ে গিয়েছেন। তাই ভোটের ফলাফল নিয়ে তিনি প্রবল আত্মবিশ্বাসী। এ বার ফলতার স্পেশাল ইকনমিক জোন হওয়ার গৌরব পুনরুদ্ধার করাই লক্ষ্য এখন বিজেপি প্রার্থী দেবাংশু পন্ডার। ফলতার পুনর্নির্বাচনকে কী চোখে দেখছেন? জানালেন এই সময় অনলাইনকে।

    গত ২৯ মে ফলতার নির্বাচনে কয়েকটি বুথে ‘কারচুপি’র অভিযোগ উঠেছিল। পুরো বিধানসভা কেন্দ্রেই পুনর্নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নেয় কমিশন। বৃহস্পতিবার ফলতার অধিকাংশ বাসিন্দা জানিয়েছেন, বেশ শান্তিপূর্ণ ভোট হচ্ছে। তবে বিগত কয়েকটি নির্বাচনে ভোট দেওয়া যেত না বলেও অভিযোগ একাধিক এলাকায়। বিষয়টি নিয়ে দেবাংশু পন্ডা বলেন, ‘ফলতার মানুষ স্বাধীনতা পেয়েছেন। ঘরের মা-বোনেরা বাড়ি থেকে বেরিয়ে এসে ভোট দিচ্ছেন। বিভিন্ন জায়গায় ক্যাম্প করেছেন মহিলারা। এই প্রথম ফলতার মানুষ দেখল ভোট কী ভাবে হয়!

    শেষ দফার ভোটেই রাজ্য রাজনীতির চর্চায় উঠে আসে তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী জাহাঙ্গির খানের ভূমিকা। শেষমেশ ময়দান ছেড়ে বেরিয়ে যান তিনি। যদিও প্রতিপক্ষ প্রার্থীকে গুরুত্ব দিতেই নারাজ বিজেপি প্রার্থী। দেবাংশুর কথায়, ‘দেড় লক্ষের বেশি ভোটে ভারতীয় জনতা পার্টি এখানে জিতবে। জাহাঙ্গির খান প্রত্যাহার করুক বা না করুক, উনি ৫-৬ হাজারের বেশি ভোট পাবেন না। কারণ উনি তো এখানে ভোটটা এতদিন হতেই দেননি। সন্ত্রাস করে ভোট করেছেন।’

    তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী জাহাঙ্গির ভোটের ঠিক ৪৮ ঘণ্টা আগে লড়াইয়ের ময়দান থেকে নিজেকে সরিয়ে নেন। যদিও এটা তাঁর ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত বলে জানিয়ে দেয় তৃণমূল কংগ্রেস। তবে তৃণমূল প্রার্থীর বক্তব্যকে কটাক্ষ করে বিজেপি প্রার্থীর বক্তব্য, ‘উনি নিজেই বলেছেন, ফলতার শান্তিরক্ষার জন্য এবং উন্নয়নের জন্য তিনি নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়াচ্ছেন। তার মানে উনি নিজেই স্বীকার করে নিয়েছেন, এখানে গত কয়েক বছরে শান্তি ছিল না এবং কোনও উন্নয়ন হয়নি।’

    বিজেপি প্রার্থীর অভিযোগ, যে ফলতাকে একসময়ে স্পেশাল ইকনমিক জোন বলে ঘোষণা করা হয়েছিল, গত সরকারের আমলে এক এক করে বহু কোম্পানি চলে গিয়েছে। উল্লেখ্য, এই কেন্দ্রে প্রচারে এসে বিশেষ প্যাকেজের ব্যাপারে আশ্বাস দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। রাস্তাঘাট, পানীয় জল, নদী বাঁধ সংস্কারের পাশাপাশি এলাকার সার্বিক উন্নয়নের জন্যেই কাজ করতে হবে। শুধু জেতার অপেক্ষায় সময় গুনছেন বিজেপি প্রার্থী।

    রিপোর্টিং: শুভ্রজিৎ চক্রবর্তী

  • Link to this news (এই সময়)