Breaking: হাওড়ার জেলাশাসকের কার্যালয়ে বৃহস্পতিবার সকালে বিজেপির নবনির্বাচিত বিধায়ক ও প্রশাসনিক কর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বুধবারই অনুপ্রবেশকারীদের ‘ডিপোর্ট’ করার ব্যাপারে সবুজ সঙ্কেত দিয়েছিলেন তিনি। এ দিন প্রশাসনিক বৈঠকের পরে শুভেন্দু বলেন, ‘গতকাল থেকে অনুপ্রবেশকারীদের কোর্টে না পাঠিয়ে বাংলাদেশ বর্ডারে বিএসএফের কাছে পাঠানোর যে আইন— তা কার্যকর হয়েছে। পুলিশ কমিশনার ও আরপিএফকে সরাসরি বলে দেওয়া হয়েছে, হাওড়া স্টেশন থেকে CAA-এর আওতায় পড়েন না, এমন বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী ধরা পড়লে তাঁকে কোর্টে পাঠাবেন না। তাঁকে ভালো করে খাওয়া-দাওয়া করিয়ে সোজা বনগাঁ পেট্রাপোল সীমান্তে বা বসিরহাট সীমান্তে BOP-র হাতে পৌঁছনোর ব্যবস্থা করতে হবে।’ প্রতি সপ্তাহে কতজন এমন বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী ধরা পড়ল সেই হিসেব CMO অর্থাৎ মুখ্যমন্ত্রীর দপ্তরে জানাতে হবে বলেও জানান মুখ্যমন্ত্রী।
২০২৫ সালের মে মাসে কেন্দ্রীয় সরকার অনুপ্রবেশকারীদের চিহ্নিত করে বিএসএফের হাতে তুলে দেওয়ার একটি নির্দেশিকা পাঠিয়েছিল। ‘অভিবাসন ও বিদেশি আইন (Immigration and Foreigners Act) অনুযায়ী সেই নির্দেশ গত সরকার কার্যকর করেনি বলে দাবি শুভেন্দু অধিকারীর। বুধবার নবান্ন থেকে সেই নির্দেশ কার্যকর ঘোষণা করার কথা জানান মুখ্যমন্ত্রী।
এ দিন প্রশাসনিক বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন হাওড়ার পুলিশ কর্তারাও। বিএসএফের সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রেখে যাতে অনুপ্রবেশকারীদের ধরা হয়, সে ব্যাপারে এ দিন পুলিশ কর্তাদের নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।
পাশাপাশি হাওড়া পুরসভার ভোট না হওয়া পর্যন্ত নাগরিক পরিষেবা দেওয়ার জন্যে ‘প্ল্যান অব অ্যাকশন’ নেওয়া হয় এ দিনের বৈঠকে। পানীয় জল সরবরাহ, নিকাশি ব্যবস্থার উন্নতি-সহ অন্যান্য নাগরিক পরিষেবার কাজ যাতে দ্রুততার সঙ্গে হয়, সে ব্যাপারে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই কাজগুলি দেখার জন্য একটি কো-অর্ডিনেশন কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই বছরের মধ্যেই হাওড়া পুরসভার নির্বাচন হওয়ার ব্যাপারেও সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী। ডিলিমিটেশনের কাজ শেষ হয়ে যাওয়ার পরেই নির্বাচন হবে বলে জানানো হয়েছে।