দেশের প্রধান বিচারপতির ‘কটাক্ষমূলক’ মন্তব্যের প্রতিবাদে আত্মপ্রকাশ করেছিল এক সোশাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট। জন্মের মাত্র পাঁচদিনের মধ্যেই সেই অ্যাকাউন্ট ছাপিয়ে গেল দেশের শাসক দলকে! পরিসংখ্যান বলছে, ককরোচ জনতা পার্টির ইনস্টাগ্রাম ফলোয়ার সংখ্যা ১২ মিলিয়ন ছাড়িয়েছে। অর্থাৎ এক কোটিরও বেশি মানুষ ফলো করছেন এই অ্যাকাউন্টটিকে। বিজেপির ইনস্টাগ্রাম ফলোয়ার সংখ্যাকে পিছনে ফেলে দিয়েছে ককরোচ জনতা পার্টি। তারপরেই এই ‘পার্টি’র সোশাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে বলে খবর ছড়িয়েছে।
প্রত্যেক মিনিটে হুহু করে বাড়ছে ককরোচ জনতা পার্টির। বৃহস্পতিবার দুপুর ১টার পরিসংখ্যান বলছে, ১২.৮ মিলিয়ন ফলোয়ার রয়েছে এই সোশাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টের। আত্মপ্রকাশের মাত্র পাঁচদিনের মধ্যেই ইনস্টাগ্রামে বিজেপির ফলোয়ার সংখ্যা টপকে গিয়েছে ককরোচ জনতা পার্টি। বর্তমানে শাসক দল বিজেপির ইনস্টাগ্রাম ফলোয়ার সংখ্যা ৮.৭ মিলিয়ন অর্থাৎ ৮৭ লক্ষ। সেটার চেয়ে বেশি ফলোয়ার রয়েছে ককরোচ পার্টির। আপাতত ১ কোটি ২৮ লক্ষ ফলোয়ার রয়েছে তাদের। কংগ্রের ইনস্টাগ্রামে ১৩.২ মিলিয়ন ফলোয়ার রয়েছে, অর্থাৎ ১ কোটিরও বেশি। তাকেও ছাপিয়ে যেতে পারে ককরোচ জনতা পার্টির জনপ্রিয়তা।
এহেন সাফল্যের পর ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করেন ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র প্রতিষ্ঠতা অভিজিৎ দীপক। পরিসংখ্যান তুলে ধরে তাঁর কটাক্ষ, ‘বিজেপি নিজেকে বিশ্বের বৃহত্তম পার্টি হিসাবে দাবি করে। কিন্তু ওদের টপকে যেতে আমাদের মাত্র চারদিন লাগল। দেশের যুবশক্তির ক্ষমতাকে হালকাভাবে নেওয়া যাবে না।’ এই পোস্ট করার কয়েকঘণ্টার মধ্যেই দেখা যায়, এক্স থেকে উধাও হয়ে গিয়েছে ককরোচ জনতা পার্টির অফিসিয়াল হ্যান্ডেল। বলা হচ্ছে, আইনি কারণে ভারতে এই অ্যাকাউন্টটি আপাতত সাসপেন্ড রাখা হয়েছে।
এক্স অ্যাকাউন্ট সাসপেন্ড হওয়ার পরেই ইনস্টাগ্রামে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন অভিজিৎ। তাঁর প্রশ্ন, কেন সরিয়ে দেওয়া হল এই অ্যাকাউন্ট? এই অ্যাকাউন্ট থেকে কোনও অন্যায় মন্তব্য করা হয়নি, উসকানিমূলক পোস্টও করা হয়নি। কিছু সামাজিক ইস্যুতে পোস্ট করা হয়েছে স্রেফ। তাহলে কেন রুখে দেওয়া হচ্ছে এই অ্যাকাউন্টের কার্যাবলি? জবাব নেই কারোর কাছেই।