‘এক দেশ, এক ভোট’ চালু হলে বাঁচবে ৭ লক্ষ কোটি! জিডিপি বৃদ্ধি নিয়েও বিরাট দাবি কেন্দ্রের কমিটির
প্রতিদিন | ২১ মে ২০২৬
এক দেশ, এক ভোট (One Nation One Election)। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির স্বপ্নের প্রকল্প চালু হলে দেশজুড়ে একসঙ্গে লোকসভা, বিধানসভা এবং স্থানীয় পুরসভা ও পঞ্চায়েত নির্বাচন আয়োজন করা যাবে। ফলে প্রায় ৭ লক্ষ কোটি টাকা সাশ্রয় হতে পারে। পাশাপাশি, প্রশাসনিক কাজের গতি বাড়বে এবং দেশের জিডিপি বৃদ্ধির হারও প্রায় ১.৬ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে বলে দাবি করেছে ‘ওয়ান নেশন, ওয়ান ইলেকশন’ সংক্রান্ত যৌথ সংসদীয় কমিটি (জেপিসি)।
বুধবার গান্ধীনগরে সাংবাদিক বৈঠকে জেপিসি চেয়ারম্যান তথা লোকসভার সাংসদ পি পি চৌধুরী জানান, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দের নেতৃত্বে আট সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেছিলেন। সেই কমিটি প্রায় ১৮৬ দিন ধরে আলোচনা ও পর্যালোচনার পর রিপোর্ট তৈরি করে। পরে বিষয়টি জেপিসি-র কাছে পাঠানো হয়। সেই রিপোর্ট বলছে, একসঙ্গে তিন স্তরের নির্বাচন করা গেলে আর্থিক এবং প্রশাসনিকভাবে বিরাট মাত্রায় লাভবান হবে দেশ।
চৌধুরী জানান, কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী প্রথমে লোকসভা ও বিধানসভা নির্বাচন একসঙ্গে আয়োজন করা হবে। এরপর ১০০ দিনের মধ্যে পঞ্চায়েত ও পুরসভা নির্বাচন সম্পন্ন করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে সংবিধান (১২৯তম সংশোধনী) বিল, ২০২৪ এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল আইন (সংশোধনী) বিল, ২০২৪ খতিয়ে দেখছে জেপিসি। সেই সূত্রেই কমিটির সদস্যরা তিন দিনের সফরে গুজরাটে গিয়েছেন।
‘এক দেশ, এক ভোট’ বিলটি বর্তমানে যৌথ সংসদীয় কমিটিতে। ওই কমিটি দেশের প্রাক্তন নির্বাচন কমিশনার, প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি এবং বিশিষ্টদের মতামত নিচ্ছে। কমিটির মাথায় বিজেপি সাংসদ পি পি চৌধুরী। তবে তিনি আগেই জানিয়েছেন, ২০৩৪ সালের আগে এক দেশ-এক ভোট নীতি কার্যকর হওয়া সম্ভব নয়। আপাতত সেই ডেডলাইন নিয়েই এগোচ্ছে কেন্দ্রের কমিটি। উল্লেখ্য, এই জেপিসি-তে মোট ৩৯ জন সদস্য রয়েছেন। এর মধ্যে লোকসভা থেকে ২৭ জন এবং রাজ্যসভা থেকে ১২ জন সাংসদ রয়েছেন।