• বয়ান দেবে মুখপাত্ররাই! বিনা অনুমতিতে সরকারি কর্মীদের মন্তব্যে রাশ টানল শুভেন্দু প্রশাসন
    প্রতিদিন | ২১ মে ২০২৬
  • বয়ান দেবে শুধুমাত্র মুখপাত্ররাই! বিনা অনুমতিতে সরকারি কর্মীদের মন্তব্যে রাশ টেনেছে শুভেন্দু প্রশাসন।  সোশাল মিডিয়ায় এই নির্দেশিকা ছড়িয়ে পড়তেই তা নিয়ে চর্চা শুরু হয়েছে সবমহলে। বৃহস্পতিবার তা নিয়েই সোশাল মিডিয়ায় ক্ষোভ উগরে দিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। লিখলেন, ‘নীরবতা এখন প্রশাসনিক আবশ্যকতা। এটা গণতন্ত্রের কণ্ঠরোধ।’

    সোশাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছে একটি নির্দেশিকা। সেখানে বলা হচ্ছে, সরকারি কর্মীদের প্রকাশ্যে সরকার বিরোধী মন্তব্য, কোনও টেলিভিশনের ডিবেট অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়া-সহ একাধিক ক্ষেত্রে নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। তা নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই বিতর্ক তৈরি হয়েছে। কিন্তু প্রশাসন সূত্রে খবর, বিজ্ঞপ্তির ভুল ব্যাখ্যা করা হচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নেওয়ার পরই শুভেন্দু অধিকারী আর জি কর কাণ্ডের সময় পুলিশের মন্তব্য নিয়ে উষ্মাপ্রকাশ করেছিলেন। বলেন, নিয়ম ভেঙে কোনও বিষয়ে অনুমতি ছাড়া যেন কোনও আধিকারিক মুখ না খোলেন। শুধু বিজেপি সরকার বলে নয়, এই নির্দেশিকা বছরের পর বছর চলছে। সরকারের সব দপ্তরেই সেই সংক্রান্ত ইস্যু নিয়ে মন্তব্য করার জন্য একজন মুখপাত্র থাকেন। তিনি ছাড়া কারও তা নিয়ে মন্তব্য করার কথা নয়। যদিও নিয়ম ভেঙে অনেকেই প্রকাশ্যে মুখ খোলেন। সেই বিষয়েই এবার রাশ টানল সরকার।

    এবিষয়ে বৃহস্পতিবার সকালে এক্স হ্যান্ডেলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন অভিষেক। লেখেন, ‘সরকারি কর্মীরা সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলতে পারবেন না। প্রবন্ধ লিখতে পারবেন না। গণমাধ্যমের অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করতে পারবেন না। কেন্দ্র বা রাজ্য সরকারের সমালোচনা করা যাবে না। দিল্লির সঙ্গে সম্পর্ক নষ্ট করতে পারে এমন কোনও মতপ্রকাশ করা যাবে না। বিজেপির রিমোট চালিত শাসনে, নীরবতা এখন একটি প্রশাসনিক আবশ্যকতা। এই মর্মান্তিক সার্কুলারটি শৃঙ্খলার জন্য নয়, এটি দিল্লিতে বসে থাকা প্রভুদের প্রতি সম্পূর্ণ আনুগত্য নিশ্চিত করার জন্য বাকস্বাধীনতা খর্ব করা এবং পদ্ধতিগতভাবে মৌলিক অধিকারের গলা টিপে ধরার উদ্দেশ্যে জারি করা হয়েছে।’ অভিষেক আরও লেখেন, ‘এটা শক্তি নয় – এটা গণতন্ত্রের কণ্ঠরোধ!’
  • Link to this news (প্রতিদিন)