• মোবাইল না আরশোলা! ভোটের ময়দানে ককরোচ জনতা পার্টির প্রতীক মানবে কমিশন?
    প্রতিদিন | ২২ মে ২০২৬
  • দেশের প্রধান বিচারপতির ‘কটাক্ষমূলক’ মন্তব্যের প্রতিবাদে আত্মপ্রকাশ করা প্রতীকী রাজনৈতিক দল ককরোচ জনতা পার্টি নিয়ে শোরগোল। মাত্র পাঁচ দিন আগে সোশ্যাল মিডিয়ায় পথ চলা শুরু করা ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ ইনস্টাগ্রামে অনুগামীর সংখ্যার নিরিখে পিছনে ফেলে দিয়েছে বিশ্বের বৃহত্তম রাজনৈতিক দল ভারতীয় জনতা পার্টিকে। বৃহস্পতিবার খবর ছড়ায়, এক্স থেকে তাদের অ্যাকাউন্টটি সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু কয়েকঘণ্টার মধ্যেই এক্সে নতুন একটি অ্যাকাউন্ট খুলে ফেলে কেজেপি। এখন প্রশ্ন উঠছে, ভোটের ময়দানে ‘আরশোলা’কে মেনে নেবে নির্বাচন কমিশন?

    আমেরিকার বোস্টন শহর জন্ম ককরোচের। প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকে। খেলার ছলে সোশাল মিডিয়ায় দল তৈরি হলেও ভারতের একাধিক রাজ্যে ইতিমধ্যেই সিজেপি-র রাজ্য স্তরের শাখা ইউনিট গজিয়ে উঠেছে। তবে কিনা সবটাই সামাজিকমাধ্যমে। এর মধ্যেই প্রশ্ন উঠেছে ককরোচ জনতা পার্টি কি সত্যিই ভোটের ময়দানে নামবে? যদি নামে সেক্ষেত্রে তাদের প্রতীক কী হবে? নামানুসারে ‘আরশোলা’ বা ‘ককরোচ’?

    সবচেয়ে বড় কথা, নির্বাচন কমিশন কি মান্যতা দেবে সেই পার্টিকে, যেটি তৈরি হয়েছিল প্রধান বিচারপতির ‘কটাক্ষমূলক’ মন্তব্যের প্রতিবাদে? তা যদি দেয়ও, আরশোলাকে প্রতীক হিসাবে মানা হবে? সমস্যা হল, নতুন দলকে ভোটে লড়তে গেলে নির্বাচন কমিশনে নাম নথিভুক্ত করতে হয়। এর পর কমিশনের দেওয়া ফ্রি সিম্বলস তালিকা থেকে বেছে নিতে কোনও একটি প্রতীক। সেই তালিকায় তালা-চাবি, এয়ার কন্ডিশনার, ল্যাপটপ, দাবার বোর্ড, সিসিটিভি ক্যামেরা বা নেল কাটারের মতো একশোর বেশি প্রতীক থাকলেও আরশোলা নেই। সিজেপি অবশ্য সোশাল মিডিয়ায় পোস্ট করে দাবি করেছে, তাদের নির্বাচনী প্রতীক হবে ‘মোবাইল ফোন’। তাও তো নেই কমিশনের প্রতীক তালিকায়। তাহলে? উত্তর আপাতত নেই।
  • Link to this news (প্রতিদিন)