• ‘৫ মন্ত্রী নিয়ে এসেছি, রাস্তা বন্ধ হয়নি’, মমতাকে বিঁধে দুর্গাপুরে শিল্পের প্রতিশ্রুতি ‘কাজের মানুষ’ শুভেন্দুর
    প্রতিদিন | ২২ মে ২০২৬
  • পূর্বতন সরকারের আমলেও জেলায় জেলায় প্রশাসনিক বৈঠক হত। সেই সময় প্রশাসনিক বৈঠকের জন্য ব্যয় হত কোটি কোটি টাকা। স্যুট বুকের জন্য সরকারি কোষাগার থেকে ব্যয় হত কোটি কোটি টাকা। তবে এবার আর প্রশাসনিক বৈঠকের নামে বেহিসাবি খরচ নয়। শুধু উন্নয়নই লক্ষ্য বর্তমান রাজ্য সরকারের। বৃহস্পতিবার দুর্গাপুরে প্রশাসনিক বৈঠকের পর বন্যা পরিস্থিতি সামাল থেকে শিল্পোন্নয়নের বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)।

    সামনেই আসছে বর্ষা। তাই এদিনের বৈঠকে প্লাবন পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার কৌশল স্থির করে শুভেন্দু প্রশাসন। দামোদরের জলে প্রায় ফি বছর দুর্গাপুর, আসানসোল, হাওড়া, হুগলির একাধিক জেলা প্লাবিত হয়। তা নিয়ে ডিভিসির সঙ্গে রাজ্য সরকারের দ্বন্দ্বও নতুন কিছু নয়। একসময় দ্বন্দ্ব এত চরমে পৌঁছয় যে ডিভিসি থেকে প্রতিনিধি প্রত্যাহার করে বাংলা। তবে সরকারের পালাবদলের পর বর্ষার মরশুমে প্লাবন পরিস্থিতি সামাল দেওয়াই লক্ষ্য। সে কারণে প্লাবন প্রবণ জেলাগুলিকে মিলিয়ে মোট ৫টি জোন তৈরি করা হয়েছে। সেগুলি হল: নিম্ন দামোদর, ঘাটাল, কান্দি, উত্তরবঙ্গ এবং মালদহ। শুভেন্দুর কথায়, “অল্প সময়ের মধ্যে সব সমস্যা এখনই সামাল দেওয়া সম্ভব নয়। তবে সমস্যা মেটানোর চেষ্টা চলছে।”

    শুধু তাই নয়, এদিনের বৈঠকের শেষে শিল্প-বার্তাও দেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি দাবি করেন, তৃণমূল সরকারের আমলে দুর্গাপুরে ‘শিল্পখরা’ দেখা যায়। তার ফলে ক্রমশ বেড়েছে বেকারত্ব। তবে এবার আর সেরকম হবে না বলেই প্রতিশ্রুতি শুভেন্দুর। ধীরে ধীরে দুর্গাপুরে শিল্প গড়ে উঠবে বলেই আশ্বাস মুখ্যমন্ত্রীর। তিনি বলেন, “কথা কম, কাজ বেশি। দেউচা পাচামির মতো মিথ্যা প্রতিশ্রুতি আমরা দেব না।” উল্লেখ্য,  ২১০ কোটি ২০ লক্ষ টন কয়লা মজুত রয়েছে দেউচা পাচামিতে। মজুত থাকা কয়লার নিরিখে এটি বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম। এশিয়া ও ভারতের নিরিখে বৃহত্তম খনি। সেখানেই একাধিকবার কর্মসংস্থানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যদিও শেষমেশ প্রতিশ্রুতিই সার। দেউচা পাচামির মাধ্যমে কাজের সংস্থান হয়নি। বর্তমান বিজেপি সরকারের প্রতিশ্রুতিতে নতুন করে আশার আলো দেখছেন স্থানীয়রা।
  • Link to this news (প্রতিদিন)