• তৃণমূলে নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে কী ভাবছেন তৃণাঙ্কুর?
    আজকাল | ২২ মে ২০২৬
  • আজকাল ওয়েবডেস্ক: ভোট মিটেছে। রাজ্যে পালাবদল হয়েছে। বঙ্গে বিজেপির প্রথম সরকার। তার প্রথম কয়েকদিনেই একেবারে তৃণমূলের ভগ্নদশা সামনে। একাধিক নেতা বিস্ফোরক। মুখ খুলছেন একে একে। কারও ক্ষোভ সংগঠন নিয়ে। কারও ক্ষোভ আইপ্যাক নিয়ে। কারও ক্ষোভ অভিষেক ব্যানার্জি নিয়েও। এই পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে কী বলছেন যুব তৃণমূলের মুখ, ছাত্র রাজনীতি থেকে সোজা বিধানসভার টিকিট পাওয়া তৃণাঙ্কুর? ভোটের ফলাফলের দিনেই রক্ত ঝরেছিল। লাগাতার কটাক্ষও সঙ্গী। কেমন লাগছে কটাক্ষ, 'চোর' স্লোগান শুনে? দলের পাশেই থাকবেন? নাকি সরবেন? এক সময়ের সতীর্থদের মুখে ১৮০ ডিগ্রি উল্টো কথা শুনে আশাহত?

    আজকাল ডট ইন তৃণাঙ্কুরের সঙ্গে যোগাযোগ করলে, তিনি সাফ জানান, এক সময় যাঁরা দলের সঙ্গে থেকে ক্ষমতার দিনে, তাঁদের মুখে একেবারে বিপরীত কথা শুনে 'আশাহত' তিনি। যুব নেতার সাফ বক্তব্য, 'দলকে নিয়ে কিছু বলার হলে, বলা উচিৎ ছিল তখনই। কেন এখন বলা হচ্ছে?' তৃণাঙ্কুর নিজে কী ভাবছেন? বলছেন, 'দলের ভাল দিনে থেকেছি, খারাপ দিনে থাকবো না, এই নীতি নিয়ে আমি রাজনীতিতে আসিনি। রাজনীতির একটা নীতি থাকে। আমি তৃণমূল কংগ্রেস করেছি। আমি ভোটে দাঁড়িয়েছি। হেরেছি। এখন আমি পাশে রয়েছি সমর্থকদের। তবে এটাও ঠিক, যে সন্ত্রাস হচ্ছে, তা সমর্থন যোগ্য নয়। তৃণমূল, বিজেপি, কোনও দলেরই ভোট পরবর্তী সন্ত্রাস সমর্থন যোগ্য নয়। আমি চাই না রাজনীতি এমন জায়গায় যাক, যেখানে কোনও যুবক যুবতী রাজনীতিতে আসতে চাইলে, পরিবার ভয়ে, বাধা দেয়।'

    কিন্তু দলের বিরুদ্ধে ক্ষোভ অহরহ, শুনেই বলছেন, 'ক্ষোভ রয়েছে। ঠিক। দেখুন কোনও দল খারাপ হয় না। হয় দলের কয়েকজন। সেই দায় গোটা দলকে নিতে হয়। কিন্তু রাজ্যের কোন প্রান্তে, কোন নেতা, কী করছেন সবসময় তা জানা সম্ভব হয় না সকলের।  ফলে সেসব না জানলেও, দায় নিতে হয় গোটা দলকেই।'

    যে অভিষেক ব্যানার্জির হয়ে গলা ফাটিয়েছেন তৃণাঙ্কুর, তাঁকে নিয়েই এখন দলের ভিতরে অসন্তোষ। তৃণাঙ্কুরের সঙ্গে কি কথা হল? বলছেন, 'কথা হয়েছে। দল নির্দিষ্ট বার্তা দিয়েছে। সেসব মানা হচ্ছে।'

     
  • Link to this news (আজকাল)