• ‘দ্বিতীয় হওয়াটা ব্যর্থতা…’, সমর্থকদের কাছে ক্ষমা চাইলেন মোহনবাগান হেড কোচ
    এই সময় | ২২ মে ২০২৬
  • তীরে এসেও ডুবেছে তরী। শেষ মুহূর্তে জেমি ম্যাকলারেনের গোলে স্পোর্টিং ক্লাব দিল্লিকে হারিয়ে চলতি মরশুমের ISL-এ অভিযান শেষ করেছে মোহনবাগান। তবে হাতছাড়া হয়েছে খেতাব। ইস্টবেঙ্গলের সঙ্গে সমান পয়েন্টে শেষ করলেও গোলপার্থক্যের কারণে ISL-এ দ্বিতীয় হয়েই থাকতে হয়েছে মোহনবাগানকে। পাঁচ গোলে এগিয়ে থাকায় চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ইস্টবেঙ্গল। আর ম্যাচ শেষে এই ব্যর্থতার দায় নিজের কাঁধেই তুলে নিলেন মোহনবাগানের হেড কোচ সের্জিও লোবেরা। ক্ষমা চাইলেন সমর্থকদের কাছে। আর কী বললেন তিনি?

    ম্যাচের শুরু থেকে একের পর এক সুযোগ নষ্টের খেসারত দিতে হয়েছে মোহনবাগানকে। একাধিকবার গোলের কাছে গিয়েও ফিরে আসতে হয়েছে। ফলে সহজেই জেতা যেত যে ম্যাচ, সেটাই কঠিন করে জিতেছে সবুজ-মেরুন ব্রিগেড। এই নিয়ে ম্যাচের শেষে ভেঙে পড়েন লোবেরা। সাংবাদিক বৈঠকে কার্যত বিপর্যস্ত দেখাল তাঁকে।

    ম্যাচ শেষে ক্ষমা চাইলেন লোবেরা

    লোবেরা বলেন, ‘ভবিষ্যতে কী হবে, সেটা নিয়ে ভাবার মতো মানসিক অবস্থায় নেই এখন। আমি খুবই হতাশ, দুঃখিত। আমাদের সমর্থকরা, এই ক্লাব আরও ভালো পারফর্ম্যান্স ও সাফল্যের দাবিদার। চ্যাম্পিয়ন হতে এসেছিলাম, কিন্তু খালি হাতে ফিরছি। কোচ হিসেবে এই ব্যর্থতার দায় আমারই। সমর্থকদের কাছে আমরা ক্ষমাপ্রার্থী।’

    কোন ভুলে এই ব্যর্থতা?

    দ্বিতীয়ার্ধে দলের খেলায় এবং একাধিকবার সুযোগ মিস করায় যে খুশি নন, তা স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন লোবেরা। ফিনিশিংয়ে আরও দক্ষ হওয়া উচিত ছিল, তা জানালেন তিনি।

    লোবেরা বলেন, ‘শুধু আজকের ম্যাচ নয়। শেষ কয়েকটা ম্যাচেই দেখা গিয়েছে একই ভুল। জেতার জন্য অসংখ্য সুযোগ পেয়েও আমরা কাজে লাগাতে পারিনি। গোলপার্থক্যের অঙ্ক জেনেও ফিনিশিংয়ে ভুল হয়েছে। এই মানের ফুটবল মোহনবাগানের মানের সঙ্গে যায় না। দ্বিতীয় হওয়াটা ব্যর্থতা, কারণ মোহনবাগানের মতো ক্লাব চ্যাম্পিয়ন হওয়ার জন্যই মাঠে নামে। কিন্তু আমরা নিজেদের কাজটা করতে পারিনি, তাই সাফল্য আসে নি।’

    এর পাশাপাশি স্বীকার করে নেন সেটপিস থেকে গোল করতে না পারার বিষয়। গত কয়েক মরশুমে সেটপিসই সবচেয়ে বড় অস্ত্র ছিল মোহনবাগানের। এ বারে সেটাই সবচেয়ে দুর্বল জায়গা হয়ে দাঁড়িয়েছে মেরিনার্সদের। তবে কোনও অজুহাত দিতে নারাজ স্প্যানিশ কোচ লোবেরা। প্লেয়ারদের ঘাড়ে দোষ না চাপালেও নিজেদের ভুলেই যে খেতাব হাতছাড়া হয়েছে সেটা বুঝিয়ে দিলেন তিনি। এখন দেখার আগামী মরশুমে মোহনবাগান ঘুরে দাঁড়াতে পারে কি না।
  • Link to this news (এই সময়)