• ইডি-র স্ক্যানারে ৩২ পুলিশ অফিসার! শীঘ্রই তলব
    আজকাল | ২২ মে ২০২৬
  • আজকাল ওয়েবডেস্ক: জমি জালিয়াতি মামলায় কলকাতা পুলিশের প্রাক্তন ডিসি শান্তনু সিনহা বিশ্বাস এর ঘনিষ্ঠ ১২ জন ইন্সপেক্টর পদমর্যাদা অফিসারের নাম আগেই পেয়েছিল ইডি। ইতিমধ্যেই তাঁদের তলব করার প্রক্রিয়া শুরু করা হয়েছে। এই সমস্ত অফিসারদেরকে শান্তনু সিনহা বিশ্বাস পোস্টিং করিয়েছিলেন বলে তদন্তে জানতে পেরেছে ইডি। এই সমস্ত অফিসারদের কাজে লাগিয়ে একাধিক জমি কম দামে ব্যবসায়ী জয় কমদারকে পাইয়ে দেওয়া হত বলে জানা গিয়েছে। 

    সোনা পাপ্পু প্রথমে সমস্ত জমির দলিলের তথ্য পাঠাত ইন্সপেক্টর পদমর্যাদা ওইসব অফিসারদের। সেই সমস্ত জমির মালিকদের থানায় ডেকে পাঠাতেন এইসব পুলিশ আধিকারিকরা। এরপর সেইসব জমির কাগজে সমস্যা রয়েছে বলে ভয় দেখান হত জমির মালিকদের। পরে, চাপ দিয়ে সেই জমি অল্প মূল্যে সোনা পাপ্পু মাধ্যমে ব্যবসায়ী জয় কামদারকে তুলে দেওয়া হত। তদন্ত নেমে এমনটাই জানতে পেরেছে ইডি। 

    জানা গিয়েছে, জমি কেনা-বেচার সঙ্গে যুক্ত ৩০ জনের বেশি অফিসারের তালিকা তৈরি করেছে ইডি। আগামী সপ্তাহ থেকে তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদ করার প্রক্রিয়া শুরু করা হবে বলেই সূত্রের খবর। 

    এছাড়াও জমি জালিয়াতির সঙ্গে আর কোন কোন পুলিশ আধিকারিক জড়িত, ধৃত শান্তনু সিনহা বিশ্বাসকে জিজ্ঞাসাবাদ করে তারই হদিশ পেতে মরিয়া কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাটি। শান্তনু সিনা বিশ্বাসের ঘনিষ্ঠ ছিলেন রাহুল আমিন আলি। তিনি কসবার রিজার্ভ ফোর্সের সাব-ইন্সপেক্টর। এই সাব ইন্সপেক্টর রাহুল আমিন আলি-র বাড়িতেও শুক্রবার সকাল থেকে তল্লাশি চালাচ্ছে ইডি। এই রাহুল আমিন আলি, শান্তনু সিনহা বিশ্বাসের একাধিক কাজকর্ম দেখাশোনা করতেন বলে জানতে পেরেছে ইডি আধিকারিকরা। রাহুল আমিন আলির বাড়ি থেকে জমি জালিয়াতি সংক্রান্ত বেশ কিছু নথিও উদ্ধার করা গিয়েছে।

    কলকাতা পুলিশের ৩২ জন অফিসার ছাড়াও ইডির নজরে আরও একাধিক সাব-ইন্সপেক্টর এবং অ্যাসিস্ট্যান্ট সাব ইন্সপেক্টর পদমদর্যাদার পুলিশ কর্মীও।  
  • Link to this news (আজকাল)