রাজা রামমোহন রায়ের আদর্শ দেশগঠনের পথ দেখাবে, জন্মজয়ন্তীতে শ্রদ্ধা অমিত শাহের
দৈনিক স্টেটসম্যান | ২২ মে ২০২৬
ভারতীয় নবজাগরণের অন্যতম পথিকৃৎ রাজা রামমোহন রায়ের জন্মজয়ন্তীতে তাঁকে শ্রদ্ধা জানালেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তিনি বলেছেন, রাজা রামমোহন রায়ের আদর্শ ও চিন্তাধারা আগামী দিনেও দেশগঠন এবং সামাজিক জাগরণের পথে আলোর দিশা দেখাবে।
সমাজ সংস্কারক রাজা রামমোহন রায়কে স্মরণ করে শুক্রবার সমাজমাধ্যমে অমিত শাহ লেখেন, ভারতীয় নবজাগরণের অগ্রদূত হিসেবে রামমোহন রায়ের অবদান চিরস্মরণীয়। ব্রাহ্ম সমাজ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে তিনি সমাজে কুসংস্কার, অন্ধবিশ্বাস এবং বৈষম্যের বিরুদ্ধে মানুষকে সচেতন করেছিলেন।
অমিত শাহ আরও উল্লেখ করেন, ‘গৌড়ীয় ব্যাকরণ’-এর মাধ্যমে বাংলা ভাষাকে নতুন চিন্তাধারা এবং বৌদ্ধিক দিশা দেখিয়েছিলেন রাজা রামমোহন রায়। শিক্ষা, সমাজ সংস্কার এবং প্রশাসনিক ক্ষেত্রে তাঁর অবদান আধুনিক ভারতের ভিতকে আরও মজবুত করেছে বলেও মন্তব্য করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। একইসঙ্গে কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহণমন্ত্রী নীতিন গাদকারীও রাজা রামমোহন রায়কে শ্রদ্ধা জানান। তিনি বলেন, ‘আধুনিক ভারতের জনক’ হিসেবে পরিচিত এই মহান সমাজ সংস্কারকের কাজ আজও সমান প্রাসঙ্গিক।
উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথও জন্মজয়ন্তীতে রাজা রামমোহন রায়কে শ্রদ্ধা জানান। তিনি বলেন, সমাজকে কুসংস্কার থেকে যুক্তিবাদের পথে এবং পশ্চাৎপদ চিন্তা থেকে প্রগতিশীল ভাবনার দিকে এগিয়ে নিয়ে গিয়েছিলেন তিনি। আধুনিক শিক্ষার প্রসারে তাঁর অবদান দেশকে চিরকাল অনুপ্রাণিত করবে।
উল্লেখ্য, ১৭৭২ সালের ২২ মে বাংলার রাধানগরে জন্মগ্রহণ করেন রাজা রামমোহন রায়। ব্রাহ্ম সমাজ প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি সতীদাহ প্রথা রদের আন্দোলন, নারীশিক্ষা প্রসার এবং আধুনিক শিক্ষাব্যবস্থার পক্ষে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন। তাঁকেই আধুনিক ভারতের অন্যতম প্রধান স্থপতি বলে মনে করা হয়।