• দায় স্বীকার শিক্ষামন্ত্রীর, ‘প্রশ্নফাঁস হয়নি’ দাবি এনটিএ প্রধানের, তবে ফের পরীক্ষা কেন?
    প্রতিদিন | ২২ মে ২০২৬
  • ডাক্তারির প্রবেশিকা পরীক্ষা নিটের প্রশ্নপত্র ফাঁসের দায় স্বীকার করেছেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। সিবিআই জানিয়েছে সরষের মধ্যে ভূত! ইতিমধ্যে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এনটিএ-র সঙ্গে যুক্ত অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক পিভি কুলকর্নিকে। যদিও ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সির (এনটিএ) প্রধান দাবি করলেন, এনটিএ-র ভিতর থেকে আদৌ প্রশ্নফাঁস হয়নি।

    একদিকে যখন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর মুখে শোনা গিয়েছে ‘সংগঠিত চক্র’ এবং ‘শিক্ষা মাফিয়া’র মতো শব্দগুলি। এমনকী তিনি মন্তব্য করেছেন, “রাধাকৃষ্ণন কমিটির সুপারিশ অনুসরণ করা সত্ত্বেও কমান্ড চেনে ত্রুটি ছিল। আমরা তা স্বীকার করছি এবং এটি উন্নত করার দায়িত্ব নিচ্ছি।” সাংবাদিক সম্মেলনে প্রশ্ন ওঠে, প্রশ্নপত্র ফাঁসে ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সির (এনটিএ) কেউ জড়িত নয় তো? উত্তরে মন্ত্রী বলেন, “সিবিআই বিষয়টি পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে তদন্ত করবে। ” এর পর পুণের বাসিন্দা অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক পিভি কুলকর্নি গ্রেপ্তারি। যিনি এনটিএ-র সঙ্গে যুক্ত। সেই সময় এনটিএ-র মহাপরিচালকের উলটো বক্তব্যে প্রশ্নফাঁস কাণ্ডের রহস্য আরও ঘনীভূত হল বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল। প্রশ্ন উঠছে, অপরাধীকে বাঁচানোর কৌশল না তো?

    উল্লেখ্য, নতুন করে আগমী ৩ জুন ডাক্তারির প্রবেশিকা পরীক্ষার দিন ঘোষণা করেছেএনটিএ। এখন প্রশ্ন উঠছে, বছর বছর কীভাবে প্রশ্নপত্র ফাঁস হতে পারে? একাধিকবার পরীক্ষা কোনও সমাধান হতে পারে না। নিটের মতো কঠিন পরীক্ষা বারবার দেওয়া একজন পরীক্ষার্থীদের জন্য শারীরিক ও মানসিক হেনস্তার শামিল। নিটের ভিতর থেকে হোক বা অন্য চক্রের মাধ্যমে, ভুক্তভোগী তো পরীক্ষার্থীরাই। প্রথম পরীক্ষাটি বাতিল হওয়ায় ইতিমধ্যে আত্মহত্যার ঘটনাও ঘটেছে। বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলি, শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবি জানাচ্ছে।
  • Link to this news (প্রতিদিন)