বৃহস্পতিতে বালি পাচারে সরব মুখ্যমন্ত্রী, শুক্রে একাধিক বালিঘাটে হানা পুলিশ ও সরকারি আধিকারিকদের
প্রতিদিন | ২২ মে ২০২৬
দুর্গাপুরে দাঁড়িয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বালি পাচারের অভিযোগ তুলতেই সক্রিয় ভূমি ও ভূমি রাজস্ব দপ্তর। বালিঘাটে অভিযানে চালানো হল। কাঁকসা ভূমি ও ভূমি রাজস্ব দপ্তরের আধিকারিক মঞ্জু কাঞ্জিলালের নেতৃত্বে ভূমি ও ভূমি রাজস্ব দপ্তরের আধিকারিকরা ও কাঁকসার মলনদিঘী ফাঁড়ির পুলিশ অভিযান চালিয়েছে। পশ্চিম বর্ধমানের দুর্গাপুরেও অবৈধ বালির কারবার রুখতে প্রশাসনের এই অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
শুক্রবার সকাল থেকেই কাঁকসার অজয় নদের বালিঘাটে শুরু হয় জোরদার অভিযান। কাঁকসার নয়া কাঞ্চনপুর, শ্রীরামপুর, দুবরাজপুর কলোনি-সহ একাধিক ঘাটে অভিযান চলল। অভিযোগ, পূর্বতন সরকার অর্থাৎ তৃণমূল সরকারের সময় অজয় নদের বুক থেকে অবৈধ উপায়ে বালি পাচার চক্র গজিয়ে উঠেছিল। আরও অভিযোগ, সরকারি রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে দিনের পর দিন বালি ভর্তি ট্রাক ডাম্পার পাচার হত। ট্রাক্টারে করেও বালি পাচার হত বলে অভিযোগ উঠেছে বিভিন্ন সময়।
দুর্গাপুরে প্রশাসনিক বৈঠকের পর বালি ও পাথর পাচার নিয়ে অভিযোগ তোলেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি জানান, বালিতে তো ভয়ংকর দুর্নীতি হয়েছে। বালিঘাট বন্ধের সুযোগ নিয়ে ৮ হাজারের বালি ১৬ হাজারে বিক্রি হচ্ছে বলেও অভিযোগ তোলেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ” ৮ হাজারের বালি ১৬ হাজার টাকায় বিক্রি হয়েছে। রাজস্ব ফাঁকি দেওয়া হয়েছে। গরিব সাধারণ মানুষের কাছে বিজেপি সরকারকে বদনাম করার চক্রান্ত শুরু হয়েছে। প্রয়োজনে বালির রেট বেধে দেওয়ার কথা বলেছি।” ক্ষমতায় এসে একাধিক দুর্নীতির বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিয়েছে শুভেন্দু সরকার। বালি পাচার বন্ধ করা হবে সেই ইঙ্গিতও মিলেছে। তারপরই পাচার রুখতে তৎপর পুলিশ ও প্রশাসন।