• ধুলোর চাদরে ঢেকেছে পিচের রাস্তা, বিপদের আশঙ্কায় বর্ষার আগে পরিত্রাণ চান স্থানীয়রা
    News18 বাংলা | ২২ মে ২০২৬
  • হাসনাবাদে মাটি বোঝাই ট্রলির দাপট, ধুলোর চাদরে ঢাকছে রাস্তা। বর্ষায় বাড়ছে কাদার আতঙ্ক। বসিরহাট মহকুমার হাসনাবাদের বিভিন্ন এলাকায় মাটি বোঝাই ট্রলির অবাধ যাতায়াতে নাজেহাল হয়ে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। মুরারীশাহ, মাখালগাছা-সহ একাধিক পঞ্চায়েত এলাকায় প্রতিদিন রাস্তার ওপর পড়ে থাকছে মোটা ধুলোর স্তর। স্থানীয়দের অভিযোগ, ট্রলিতে করে মাটি বহনের সময় রাস্তাজুড়ে মাটি ছড়িয়ে পড়ছে।

    ফলে এখন ধুলোয় অতিষ্ঠ মানুষ, আর বর্ষা নামলেই সেই ধুলো কাদায় পরিণত হয়ে বিপদের কারণ হয়ে উঠবে বলে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এলাকাবাসীর দাবি, একের পর এক মাটি বোঝাই ট্রলি চলাচল করছে। রাস্তার উপর জমে থাকা শুকনো মাটি বাতাসে উড়ে চারদিক ধুলোয় ঢেকে যাচ্ছে। বাইক আরোহী থেকে পথচারী, সকলকেই সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। অনেক সময় ধুলোর কারণে সামনে কিছু দেখা যায় না বলেও অভিযোগ উঠেছে। ফলে ছোট-বড় দুর্ঘটনার আশঙ্কা ক্রমশ বাড়ছে।

    স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, “রাস্তায় এত ধুলো জমেছে যে হাঁটা মুশকিল হয়ে দাঁড়িয়েছে। বাড়ির দরজা-জানলা খুলে রাখা যায় না।” অন্য এক বাসিন্দার অভিযোগ, “এখন শুকনো ধুলো উড়ছে, কিন্তু বর্ষা শুরু হলে পুরো রাস্তা কাদায় ভরে যাবে। তখন স্কুল পড়ুয়া থেকে রোগী নিয়ে যাতায়াত, সবই কঠিন হয়ে পড়বে।” এলাকার মানুষ জানিয়েছেন, মাটি পড়ে থাকার কারণে বহু জায়গায় পিচের রাস্তা ঢেকে যাচ্ছে। সামান্য বৃষ্টি হলেই রাস্তা পিচ্ছিল হয়ে পড়ছে।

    বিশেষ করে বাইক চালকদের সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। ইতিমধ্যেই কয়েকটি ছোটখাটো দুর্ঘটনাও ঘটেছে বলে দাবি স্থানীয়দের। মাখালগাছা এলাকার এক বাসিন্দার কথায়, “রাস্তার উপর দিনের পর দিন মাটি পড়ে থাকছে। পরিষ্কারের কোনও ব্যবস্থা নেই। ধুলোতে মানুষ অতিষ্ঠ, আবার বর্ষায় এই রাস্তা কাদা হয়ে গেলে চলাচল পুরো ভেঙে পড়বে।” এলাকাবাসীর অভিযোগ, প্রশাসনের নজরে বিষয়টি বারবার আনা হলেও স্থায়ী সমাধান এখনও মেলেনি। এই পরিস্থিতিতে দ্রুত রাস্তা পরিষ্কার করা, নিয়ন্ত্রণহীন মাটি বহন বন্ধ করা এবং সাধারণ মানুষের নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করার দাবিতে সরব হয়েছেন স্থানীয়রা।
  • Link to this news (News18 বাংলা)