'আগের সরকার বড় বড় গর্ত করে গিয়েছে', মন্ত্রী হয়ে মেদিনীপুরে পা রেখেই তৃণমূলের আর্থিক দুর্নীতির বিরুদ্ধে কটাক্ষ দিলীপ ঘোষের
News18 বাংলা | ২২ মে ২০২৬
মন্ত্রিত্বের পর প্রথমবার মেদিনীপুর শহরে দিলীপ ঘোষ, চা চক্রের মাঝেই জনসাধারণের উদ্দেশ্যে বার্তা মন্ত্রীর। বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল সরকারের ভরাডুবি ঘটিয়ে রাজ্যে ক্ষমতায় এসেছে বিজেপি সরকার। মন্ত্রিত্ব পেয়েছেন দীর্ঘদিনের লড়াকু বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ। নতুন রাজ্য সরকারের মন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণের পর প্রথমবার মেদিনীপুর শহরে এলেন দিলীপ ঘোষ।
মেদিনীপুর শহরের সার্কিট হাউস সংলগ্ন রাস্তার পাশে দলীয় কর্মী সমর্থকদের সঙ্গে নিয়ে চা চক্র করলেন খড়গপুর সদরের বিজেপি বিধায়ক তথা রাজ্যের পঞ্চায়েত মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। তিনি বলেন, ‘মেদিনীপুরে আগেও এসেছি, এখানে বসেই চা খেয়েছি, এই লোকেরাই ছিল। আমার একটু পদোন্নতি হয়েছে, আমি মন্ত্রী হয়েছি। সেজন্য কাজের দায়িত্ব এসেছে বড়। প্রশাসনে গিয়েছি, আমাদের সরকারের প্রশাসন কী করছে, সে ব্যাপারে লোককে জানালাম। সব কাজের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে, যথা সময়ে শেষও হবে। আর্থিক ব্যাপার আছে, টাকা পয়সা নাই। আগের সরকার বড় বড় গর্ত করে গিয়েছে, সেগুলো বোজাতে হবে।’
দিলীপ ঘোষের আরও বক্তব্য, ‘কেন্দ্র সরকারের সঙ্গে কথা হয়েছে, গতকালও আমাদের মুখ্যমন্ত্রী গিয়েছেন কথা বলতে। পলিসি, আর্থিক ব্যাপার, সামনে বাজেট আছে, ১৮ তারিখ থেকে ২২ তারিখ বাজেট পেশ হবে। সমস্ত দফতরের নতুন করে বাজেট তৈরি হচ্ছে। আমি সোমবার আমার তিনটি দফতরের বাজেট নিয়ে বসব। সব বিধায়ক মন্ত্রীরা কাজ করছে। যত কমপ্লেন ছিল যত রকম হিংসা হোক, আর্থিক দুর্নীতি হোক সব তদন্ত হবে, শুরু হয়ে গিয়েছে। সে পুলিশ করবে, ইডি করবে বাকি যে সংস্থা আছে তারা করবে।’
ফলতায় তৃণমূলের প্রার্থীর সরে আসা নিয়ে কটাক্ষ করতে ছাড়েননি রাজ্যের মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। তিনি বলেন, ‘অনেক শুনেছিলাম, ধুরন্ধর নাকি! সে কোথায় গেল? পুলিশ ছাড়া লড়তে ক্ষমতা লাগে।’ উল্লেখ্য, ফলতা বিধানসভা কেন্দ্রের মোট ভোটার সংখ্যা ২ লক্ষ ৩৬ হাজার ৪৪৪ জন। তার মধ্যে পুরুষ ভোটার রয়েছেন ১ লক্ষ ২১ হাজার ৩০০ জন। মহিলা ভোটারের সংখ্যা ১ লক্ষ ১৫ হাজার ১৩৫ জন। এছাড়াও তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছেন ৯ জন।