• আর জোড়াতালির কাজ নয়, প্রয়োজনে হবে হাজার হাজার কোটির প্রজেক্ট! বড় আশ্বাস বিধায়কের
    News18 বাংলা | ২২ মে ২০২৬
  • বর্ষার আগেই ভুতনি ও নদীভাঙন কবলিত এলাকাকে সুরক্ষিত করতে উদ্যোগী হল প্রশাসন। নদীভাঙন ও বন্যা পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে মানিকচকের ভুতনির একাধিক স্পর্শকাতর এলাকা পরিদর্শন করলেন নবনির্বাচিত বিধায়ক গৌড়চন্দ্র মণ্ডল। তাঁর সঙ্গে ছিলেন মানিকচক ব্লকের বিডিও সুমন কুমার মণ্ডল এবং সেচ দফতরের আধিকারিক অর্ণব কুমার মণ্ডল। এদিন বিধায়ক ভুতনির পশ্চিম রতনপুর ও কালুটনটোলা সংলগ্ন ভাঙনপ্রবণ এলাকা ঘুরে দেখেন।

    নদীর ভাঙন, বাঁধের অবস্থা এবং বন্যার সম্ভাব্য ঝুঁকি নিয়ে সেচ দফতরের আধিকারিকদের সঙ্গে আলোচনা করেন তিনি। পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গেও কথা বলে তাঁদের সমস্যার কথা শোনেন এবং আগাম প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নিয়ে আশ্বাস দেন। পরিদর্শন শেষে গৌড়চন্দ্র মণ্ডল জানান, “ভুতনিবাসীরা সরকারের ওপর আস্থা রেখেছেন এবং সেই আস্থার মর্যাদা রক্ষা করতেই প্রশাসন সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করবে। যেকোনও মূল্যে ভুতনি এলাকাকে বন্যা ও নদীভাঙনের হাত থেকে রক্ষা করা হবে।”

    তিনি আরও বলেন, “ভাঙন রোধ ও বন্যা প্রতিরোধে স্থায়ী সমাধানের জন্য বড়সড় পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে। প্রয়োজনে হাজার হাজার কোটি টাকার প্রকল্পও বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে। সেচ দফতরের ইঞ্জিনিয়াররা ইতিমধ্যেই বিভিন্ন জায়গা পরিদর্শন করে পরিস্থিতি মূল্যায়ন করছেন।” ভাঙন কবলিত এলাকার স্থানীয় এক বাসিন্দা খেদরন চৌধুরী বলেন, “রাজ্য কেন্দ্র দুই জায়গায় সরকার এখন একই। আমরা আশাবাদী নদী ভাঙন ও বন্যা পরিস্থিতির সমস্যা সমাধান হবে। তবে যেন বস্তা দিয়ে নয়, স্থায়ীভাবে ভাঙন রোধের কাজ করা হয়।”

    বিধায়ক আরও জানান, আপাতত বর্ষার আগে যাতে নদীর জল কোনওভাবে ভুতনি এলাকায় প্রবেশ করতে না পারে, তার জন্য প্রাথমিকভাবে জরুরি ভিত্তিতে প্রতিরোধমূলক কাজ শুরু করা হবে। প্রয়োজন অনুযায়ী শ্রমিক ও প্রযুক্তিগত সহায়তা দিয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাশাপাশি কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের সমন্বয়ে দীর্ঘমেয়াদি ও স্থায়ী সমাধানের পথও খোঁজা হচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের আশা, প্রশাসনের এই তৎপরতায় দীর্ঘদিনের নদীভাঙন ও বন্যা সমস্যার স্থায়ী সমাধান মিলবে এবং প্রতি বর্ষায় আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটানোর অবসান ঘটবে।
  • Link to this news (News18 বাংলা)