• আড়াই বছর বয়সেই ওয়ার্ল্ড রেকর্ড, অসাধারণ প্রতিভার পরিচয় হাবরার এই খুদের
    এই সময় | ২২ মে ২০২৬
  • অনর্গল বলে যাচ্ছে মন্ত্র। কৃষ্ণ মন্ত্র থেকে মহামৃত্যুঞ্জয় মন্ত্র সব তার কন্ঠস্থ। বয়স মাত্র আড়াই বছর। উত্তর ২৪ পরগনার ছোট্ট আভ্যান দাসের এই প্রতিভাই এখন চর্চিত হাবরার বাণীপুরের বাসিন্দাদের মুখে মুখে।

    মাত্র আড়াই বছর বয়সেই অসাধারণ স্মৃতিশক্তি, মন্ত্রপাঠ ও বিভিন্ন বিষয়ে তার জ্ঞানের পরিচয় রীতিমতো তাক লাগিয়ে দিয়েছে সকলকে। পরিবারের তরফে জানা গিয়েছে, বইয়ের প্রতি ছিল তার প্রবল আগ্রহ। কিছুটা বড় হতেই তার এই প্রতিভার বহুমুখী প্রকাশ নজরে আসে পরিবারের সদস্যদের।

    মাত্র আড়াই বছর বয়সেই কৃষ্ণ মন্ত্র, মহামৃত্যুঞ্জয় মন্ত্র ও সূর্য মন্ত্র অনর্গল মুখস্থ বলতে পারে ছোট্ট আভ্যান। শুধু তাই নয়, বাংলা, ইংরেজি ও হিন্দি তিনটি বিষয়ের বর্ণমালাই সে জানে। পাশাপাশি, ১ থেকে ৫০ পর্যন্ত গুনতে পারে মাত্র দেড় মিনিটে। এখানেই শেষ নয়, একশোটিও বেশি ইংরেজি নাম অবলীলায় বলতে পারে সে। বাংলা ও ইংরেজি মিলিয়ে প্রায় ১২ থেকে ১৫টি ছড়াও তার কণ্ঠস্থ।

    পরিবারের দাবি, হাতে কর গুনে সংখ্যা মনে রাখা থেকে শুরু করে পশু, পাখি, বিভিন্ন আকার-আকৃতি, রং, নানা সিম্বল সম্পর্কেও তার স্পষ্ট ধারণা রয়েছে। এত অল্প বয়সে এমন প্রতিভার কারণে স্বীকৃতি হিসেবে আভ্যানের নাম উঠে এসেছে 'ইনফ্লুয়েন্সার বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে' । বিশেষ সম্মান জানাতে তাকে পুনেতেও আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। শুধু পড়াশোনা বা স্মৃতিশক্তিই নয়, বিভিন্ন প্রতিযোগিতাতেও সাফল্য পেয়েছে আভ্যান। অলিম্পিয়াড ইয়ং অ্যাচিভারেও মন্ত্রপাঠ করে স্টার পারফর্মার হওয়ার পাশাপাশি যোগব্যায়ামেও এই খুদে প্রতিযোগী পেয়েছে অনেক মেডেল, ট্রফি ও শংসাপত্রও।

    আভ্যানের বাবা প্রসূনকান্তি দাস জানান, ওয়ার্ল্ড রেকর্ড তৈরি করায় ভীষণ খুশি তিনি।ভবিষ্যতে আরও বড় রেকর্ড গড়ার লক্ষ্য আভ্যানকে প্রস্তুত করছেন তাঁরা। মা অন্তরা নাগ দাস বলেন, ছোটবেলা থেকেই সন্তানের এই বিশেষ প্রতিভার বিষয়টি নজরে আসে তাঁর। এরপর ধীরে ধীরে যত্ন ও প্রশিক্ষণের মাধ্যমে আভ্যানকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। তবে, আভ্যান যেন প্রমাণ করে দিয়েছে, প্রতিভার কোনও বয়স হয় না।

  • Link to this news (এই সময়)