আজকাল ওয়েবডেস্ক: বাংলার প্রথম বিজেপি সরকার। এখনও পর্যন্ত মুখ্যমন্ত্রী ছাড়াও পাঁচজন মন্ত্রী শপথ নিয়েছেন। তাঁদের মধ্যে একজন বাঁকুড়া জেলার বিধায়ক, স্কুল শিক্ষিক, ক্ষুদিরাম টুডু। সামনে কাজ অনেক, দায়িত্ব বড়। বসে বসে সাজাচ্ছেন রুটম্যাপ। ভাবছেন আদিবাসী শ্রেণির পড়ুয়াদের মধ্যে ড্রপআউট রেট নিয়ে, ভাবছেন পড়ুয়াদের হস্টেল সমস্যা নিয়ে, অনগ্রসর শ্রেণির কল্যাণ নিয়ে। বড় সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন ভুয়ো জাতি সংশাপত্র নিয়েও। আজকাল ডট ইন-কে একান্ত সাক্ষাৎকারে ক্ষুদিরাম টুডু জানালেন সেসব কথাই।
কী ভাবছেন ভুয়ো সংশাপত্র নিয়ে? ইতিমধ্যেই বড় হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, এবার বলছেন, 'আমি তদন্ত করার জন্য প্রিন্সিপাল সেক্রেটারিদের নির্দেশ দিয়ে দিয়েছি, তাঁরা তদন্ত করছেন এবং সিআইডি (CID) তদন্ত হবে। যেসব আধিকারিকরা এই ফেক এসটি সার্টিফিকেট ইস্যু করেছেন, সেই আধিকারিকদেরও শাস্তি হবে। আর যারা এই ফেক এসটি সার্টিফিকেট নিয়ে সরকারি সুযোগ-সুবিধা ভোগ করছে, তাঁরাও শাস্তি পাবেন।'
কী হবে সেই শাস্তি? বলছেন, 'তাঁদের চাকরি খারিজ হয়ে যাবে। শাস্তি হবেক আইন মোতাবেক।'
আদিবাসী সমাজের কল্যাণ বিষয়ে কী ভাবছেন মন্ত্রী? সাফ জানাচ্ছেন, 'আদিবাসীদের উন্নয়ন করার দরকার আছে, সেই কাজগুলো আমি ইতিমধ্যেই সচিবদের, প্রিন্সিপাল সেক্রেটারি-দের বলে বলে কাজ শুরু করে দিয়েছি। যাঁরা বিগতদিনে যেভাবে ট্রাইবালের ডেভেলপমেন্টের অর্থ বাইপাস করে খরচ করেছে, তাঁদের বিষয়েও আমি তদন্ত করার জন্য আনির্দেশ দিয়েছি।'
বহু প্রান্তিক জেলার বহু গ্রামাঞ্চলের পড়ুয়াদেরকলকাতায় এসে পড়াশোনার বিষয় এবং হোস্টেল নিয়ে একটা বহুদিনের দাবি আছে। মন্ত্রী ক্ষুদিরাম কীভাবে তাঁদের সমস্যার সমাধান করবেন? জানাচ্ছেন, 'দেখুন, আমি ট্রাইবালদের জন্য যেটা এসসি অ্যান্ড এসটি হোস্টেল যেটা বন্ধ হয়ে গেছে সেগুলো পুনরায় চালু করব। প্রতিটি ট্রাইবাল এলাকায় বা ট্রাইবাল ব্লকে কেন্দ্রীয় সরকারের যে সিদ্ধান্ত, ট্রাইবাল অ্যাফেয়ার্স ডিপার্টমেন্টের একলব্য মডেল রেসিডেন্সিয়াল স্কুল, নিউ সেটআপ তৈরি করা হবে।'