'ডাকা হয়নি বিরোধী কাউন্সিলরদের', ফিরহাদের বিরুদ্ধে অনাস্থার হুঁশিয়ারি সজলের
আজ তক | ২৩ মে ২০২৬
পুরসভায় মাসিক অধিবেশন হওয়া নিয়ে ধুন্ধুমার। মেয়র ফিরহাদ হাকিমকে কেন্দ্র করে নিশানা সজল ঘোষের। শুক্রবার মেয়র পারিষদের বৈঠক হওয়ার কথা ছিল। পরে পুরসভার মাসিক অধিবেশনও স্থগিতাদেশের নির্দেশ দেওয়া হয়। পুরসভায় তৃণমূল কাউন্সিলরদের নিয়ে সভা আয়োজিত হয়। এই সভাকে 'বেআইনি' বলে দাবি করেন সজল ঘোষ। বিরোধীদের কেন ডাকা হয়নি মেয়রকে তা জানাতে হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন সজল।
সজলের বক্তব্য, "কমিশনারের অথরিটি নিয়ে হাউস করতে হয়। অনাস্থা আনলে মেয়র বাঁচাতে পারবেন তো? এই বেআইনি কাজের নেতৃত্ব দিয়েছেন মেয়র ও চেয়ারপার্সন। উত্তর না দিলে হাউস চলতে দেব না। এর আগে যতগুলো হাউজ ক্যান্সেল হয়েছে, সেগুলিকে ক্যান্সেল করতে বলেছিলেন?" অভিযোগ আনেন, "টক টু মেয়রের দিন হাউজ ডাকা হত। বিধানসভায় যাওয়ার জন্য হাউজ ক্যান্সেল হত।"
তাঁর আরও অভিযোগ, "পুরসভা তৃণমূলের পার্টি অফিস বা ফিরহাদ হাকিমের বৈঠকখানা নয়, এখানে নিয়ম মেনে অধিবেশন ডাকতে হয়।"
কী ঘটেছিল এদিন?
শুক্রবার সকালে পুরসভায় তৃণমূল কাউন্সিলরদের আয়োজিত সভা প্রসঙ্গে ক্ষোভ উগরে দেন বিজেপি নেতা তথা বিধায়ক সজল ঘোষ। প্রয়োজনে পুরসভা ভাঙারও ডাক দেন সজল। শুক্রবার পুরসভার মাসিক অধিবেশন হওয়ার কথা ছিল। আগে বাতিল হয়েছিল মেয়র পারিষদের বৈঠক। পরে তাও স্থগিতাদেশ হয়ে যায়। এরপরই নাটুকে ঘটনা ঘটে যায়।
সকালে তৃণমূল কাউন্সিলররা পুরসভায় হাজির হন। অধিবেশন কক্ষে তালা বন্ধ থাকায় বাইরেই অধিবেশন হয়। তার আগে পুরসভার চেয়ারপার্সন মালা রায়ের ঘরও খুলে দেওয়ার অনুরোধ করলেও ঘর খোলা হয়নি বলে অভিযোগ। অধিবেশন কক্ষের বাইরে তৃণমূল কাউন্সিলরদের সঙ্গে সভাতে হাজির ছিলেন মেয়র ফিরহাদ হাকিম ও চেয়ারপার্সন মালা রায়। এই সভাকেই ‘বেআইনি’ বলেন সজল ঘোষ।