মমতার পথে কংগ্রেস, বাংলার দৃষ্টান্ত তুলে সুপ্রিম কোর্টে SIR বিরোধী মামলা কর্নাটক সরকারের
প্রতিদিন | ২৩ মে ২০২৬
বাংলার বিধানসভা নির্বাচনে হারের পরই বৃহত্তর জোটের বার্তা দিয়েছিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কংগ্রেসের রাজ্য বা শীর্ষনেতৃত্ব এখনও সরাসরি মমতার সেই বার্তা নিয়ে ইতিবাচক কোনওরকম প্রতিক্রিয়া দেয়নি। তবে SIR ইস্যুতে তৃণমূল নেত্রীর পাশে দাঁড়িয়েছে কংগ্রেস। এবার মমতার দেখানো পথে নিজেদের দখলে থাকা রাজ্যে এসআইআর রুখতে শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার কথা ভাবছে হাত শিবির।
সূত্রের খবর, কর্নাটকে এসআইআর রুখতে মরিয়া হাত শিবির। বাংলার উদাহরণ তুলেই শীর্ষ আদালতে মামলা দায়ের করার কথা ভাবছে কংগ্রেস। রাজ্যের আইনমন্ত্রী এইচ কে পাটিল জানিয়েছেন, রাজ্য সরকার ভোটাধিকার রক্ষায় আদালতে যেতে চায়। বাংলার উদাহরণ তুলে তাঁর দাবি, সদ্য এসআইআর পর্বে পশ্চিমবঙ্গে ২৭ লক্ষ মানুষ ভোটাধিকার হারিয়েছেন। উপযুক্ত নথিপত্র থাকা সত্ত্বেও এবার বিধানসভার নির্বাচনে ভোট দিতে পারেননি। কর্নাটক সরকার এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি চায় না। কর্নাটকের আইনমন্ত্রীর দাবি, আইনজ্ঞদের সঙ্গে কথা বলে তিনি নিশ্চিত এসআইআর প্রক্রিয়া বেআইনি।
কর্নাটকের আইনমন্ত্রী বলছেন, সুপ্রিম কোর্ট যে ট্রাইব্যুনালকে ভোটারদের নথিপত্র যাচাই করার দায়িত্ব দিয়েছিল, সেই ট্রাইব্যুনাল চূড়ান্ত ব্যর্থ হয়েছে। এর ফলে ওই রাজ্যের ২৭ লাখ ভোটার এবার নির্বাচনে ভোট দিতে পারেননি। তামিলনাড়ুর উদাহরণও তুলেছেন কর্নাটকের ওই মন্ত্রী। তাঁর দাবি, তামিলনাড়ুতেও এমন বহু ভোটার আছে, যাঁদের বৈধ কাগজ থাকা সত্ত্বেও ভোট দিতে পারেননি।
উল্লেখ্য, সুপ্রিম কোর্টে ইতিমধ্যেই ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়ার তৃতীয় দফা ঘোষণা করেছে। ১ জুলাই থেকে এই প্রক্রিয়া শুরু হবে। শেষ হবে ২৩ ডিসেম্বর। ১৬টি রাজ্য ও ৩টি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের জন্য আলাদা আলাদা সময় নির্ধারণ করে দিয়েছে কমিশন। ওই ১৬ রাজ্যের মধ্যে কর্নাটকের নামও রয়েছে। কিন্তু সে রাজ্যের কংগ্রেস সরকার সেটা রুখে দিতে মরিয়া।