অল্প দিনের মধ্যে গোটা দেশ তথা বিশ্বে সাড়া ফেলে দিয়েছে ককরোচ জনতা পার্টি (CJP)। দিন চারেকের মধ্যে ইনস্টাগ্রামে তাদের সদস্য সংখ্যা ৮ মিলিয়ন ছুঁয়ে বিজেপিকে পেরিয়ে যায়। এরইমাঝে সামনে এল এক চাঞ্চল্যকর রিপোর্ট। যেখানে দাবি করা হচ্ছে, এই সিজেপি-র ৮০ শতাংশ ফলোয়ার পাকিস্তানি ও বাংলাদেশি। এই তথ্য সামনে আসতেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে জেন-জির সলতেয় আগুন জ্বালানো এই ককরোচের নেপথ্যে কি ডিপ স্টেট বা পাক গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই? বিতর্ক চরম আকার নিতেই এবার মুখ খুললেন ককরোচ পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপক।
ককরোচ জনতা পার্টির ফলোয়ার্স সংক্রান্ত যে রিপোর্ট সোশাল মিডিয়ায় ভাইরাল হতে শুরু করেছে, সেখানে দেখা গিয়েছে, এই অ্যাকাউন্টের ৪৯ শতাংশ ফলোয়ার্স পাকিস্তানের। এরপর রয়েছে আমেরিকা (১৪ শতাংশ), বাংলাদেশও ১৪ শতাংশ। ভারতের যুব সমাজের মনজয় করা ককরোচের ভারত থেকে ফলোয়ার্স মাত্র ৯ শতাংশ। ভারতের পর রয়েছে ব্রিটেন, অস্ট্রেলিয়া, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর মতো দেশগুলি। সোশাল মিডিয়ায় সেই পোস্ট তুলে ধরে বিজেপি যুব মোর্চার সাধারণ সম্পাদক তাজিন্দর বাগ্গা-সহ একাধিক বিজেপি নেতা সরব হয়েছেন। এই অ্যাকাউন্টের তিনি নাম দিয়েছেন পাকিস্তান জনতা পার্টি।
বিজেপি নেত্রী প্রীতি গান্ধীও এই তথ্যটি তুলে ধরেছেন। এক্স-এ লিখেছেন, ‘আপনার সবচেয়ে বড় সমর্থক সীমান্তের ওপারে শত্রু দেশে বসে। এই ঘটনায় বুঝতে বাকি থাকে না আপনি আসলে কার হয়ে কথা বলছেন। এইসব নাটক বন্ধ করার সময় চলে এসেছে।’ নেটিজেনরাও এই ইস্যুতে সরব হন। অনেকেই লিখেছেন ভারতকে অশান্ত করতে এটি কোনও বিদেশি শক্তির ষড়যন্ত্র হতে পারে। তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হল, এই রিপোর্ট সামনে আসার পরই কেন্দ্রের তরফে বন্ধ করে দেওয়া হয় ‘সিজেপি’র সোশাল মিডিয়া হ্যান্ডেল।
বিতর্ক চরম আকার নিতেই এই ইস্যুতে মুখ খোলেন ককরোচ পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপক। পালটা এক্স হ্যান্ডেলে ককরোচ পার্টির ফলোয়ার্সের বিস্তারিত তুলে দেওয়া হয়। ক্যাপশনে তিনি লেখেন, বিজেপির নির্বোধরা আপনাদের প্রভাবিত করার আগে ককরোচ জনতা পার্টির ফলোয়ার্সের পরিসংখ্যান আপনারা নিজেরাই দেখে নিন। যেখানে ৯৪ শতাংশ ফলোয়ার্স ভারতেরই। তালিকায় দেখা যাচ্ছে, ৯৪.৭ শতাংশ ফলোয়ার্স ভারতের, তারপর ১ শতাংশ আমেরিকার, ০.৭ শতাংশ ব্রিটেনের, কানাডা ও আমিরশাহীর ০.৬ শতাংশ।