• ১০ দিন আগে রহস্যমৃত্যু প্রাক্তন মিস পুণে তিশা শর্মার, এবার আত্মসমর্পণ স্বামীর
    প্রতিদিন | ২৩ মে ২০২৬
  • আত্মসমর্পণ করলেন নিহত প্রাক্তন মিস পুণে তিশা শর্মার স্বামী। ৩৩ বছরের তিশার রহস্যময় মৃত্যুকে ঘিরে গত কয়েকদিন ধরেই চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। মধ্যপ্রদেশের পুলিশ ঘটনাটিকে আত্মহত্যার মামলা হিসেবে বিবেচনা করলেও তা এখন পণের চাপ, প্রমাণ লোপাট এবং রাজনৈতিক প্রভাব খাটানোর মতো অভিযোগকে কেন্দ্র করে এক উদ্বেগজনক সংঘাতের রূপ নিয়েছে। এহেন পরিস্থিতিতে আত্মসমর্পণ করলেন তিশার স্বামী সমর্থ।

    আগেই মধ্যপ্রদেশ হাই কোর্টে সমর্থের আইনজীবী জানিয়ে দেন, তাঁর মক্কেল আত্মসমর্পণ করবেন। আগাম জামিনের আবেদন তিনি তুলে নিচ্ছেন। এরপর উচ্চ আদালতের অনুমতি নিয়ে এরপরই জব্বলপুর জেলা আদালতে তিনি আত্মসমর্পণ করলেন। উল্লেখ্য, প্রথম বিবিএ, পরে এমবিএ করার পর মুম্বই এবং দিল্লির দু’টি সংস্থায় চাকরিও করেন তিশা। এর মধ্যেই সুন্দরী প্রতিযোগিতায় সাফল্য আসে। ‘মিস পুণে’ খেতাব পান তিনি। একটি তেলুগু ছবিতে অভিনয় করেন। ২০২৪ সালে একটি ডেটিং অ্যাপ সূত্রে তাঁর আলাপ হয় পেশায় আইনজীবী সম্রাট সিংয়ের সঙ্গে।

    ২০২৫ সালের ডিসেম্বর মাসে তাঁরা বিয়ে করেন। কিছুদিনের মধ্যেই বদলে যায় পরিস্থিতি। দাবি, শ্বশুরবাড়িতে মানসিক যন্ত্রণার মধ্যে ছিলেন তিশা। আর সেই কারণেই মৃত্যু হয়েছে তাঁর। বাবা নবনীধি শর্মা স্বীকার করেন, মেয়ের পাশে দাঁড়ানোর বদলে মধ্যবিত্ত মানসিকতা ও সমাজিক চাপের কারণেই যে কোনও মূল্যে বিয়েটা বাঁচানোর চেষ্টা করেছিলেন। এর জেরেই প্রতিভাবান মেয়েকে হারাতে হল। অন্যদিকে তিশার শাশুড়ি গিরিবালা সিংয়ের দাবি, তিশার মা-বাবা জোর করে মেয়েকে বিনোদন জগতে ঠেলে দিয়েছিল, ওকে দিয়ে পয়সা রোজগারের জন্য। পণের জন্য অত্যাচারের কথা তিনি অস্বীকার করেছেন।

    মেয়ের জন্য ন্যায় চেয়ে দেহ নিতে অস্বীকার করেন তিশার অভিভাবকরা। তাঁদের দাবি, আরও একবার ময়নাতদন্ত হোক তিশার। সেই দাবিতে সম্মত হয়েছে আদালত। যদিও তিশার শ্বশুরবাড়ি দ্বিতীয় ময়নাতদন্তের বিরোধিতা করেছে।
  • Link to this news (প্রতিদিন)