• প্রাণনাশের আশঙ্কায় তৃণমূল বিধায়ক, সদ্য বিজেপি হওয়া নেতাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ
    বর্তমান | ২৩ মে ২০২৬
  • নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: প্রাণহানির আশঙ্কা করছেন ক্যানিং পশ্চিমের তৃণমূল বিধায়ক পরেশরাম দাস। সদ্য বিজেপি হয়েছেন এমন বেশ কয়েকজন নেতা তাঁকে প্রাণে মারার ষড়যন্ত্র করছেন বলে অভিযোগ বিধায়কের। এ ব্যাপারে আইনের দ্বারস্থ হবেন বলেও জানিয়েছেন তিনি। পাশাপাশি তাঁর বিধায়ক কার্যালয়ে তালা ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে। ফলে বিভিন্ন কাজ আটকে গিয়েছে। গরিব পড়ুয়াদের স্কলারশিপের টাকা পাওয়ার ক্ষেত্রে জনপ্রতিনিধিদের চিঠি লাগে। মুমূর্ষু রোগীদের মুখ্যমন্ত্রী বা প্রধানমন্ত্রীর তহবিলের আর্থিক সহায়তা পেতে হলেও বিধায়কের চিঠি লাগে। কিন্তু এমএলএ প্যাড, রবার স্ট্যাম্প ইত্যাদি ওই কার্যালয়ের ড্রয়ারেই পড়ে রয়েছে। অথচ অফিস বন্ধ থাকায় সেসব কাজ শিকেয় উঠেছে। অনেকে বিধায়কের বাড়িতে এলেও তিনি তাঁদের পরিষেবা দিতে পারছেন না। ফেসবুক লাইভ করে এইসব ইস্যু নিয়ে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন পরেশবাবু।

    তিনি বলেন, সরকার বদল হতেই তৃণমূলের নেতা-কর্মী থেকে বিধায়কের উপর আক্রমণ নেমে এসেছে। তালা ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছিল পঞ্চায়েত ভবন, তৃণমূলের পার্টি অফিসে। ক্যানিং পশ্চিমে বিধায়ক কার্যালয়ও বাদ যায়নি। সেটি ভেঙে তছনছ করে দিয়ে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। বিধায়ক হওয়ার পর থেকে সেখানে বসতে পারেননি পরেশবাবু, এমনটাই দাবি তাঁর। এর মধ্যেই বিস্ফোরক অভিযোগ করেছেন তিনি। ফেসবুক লাইভে বিধায়ক বলেন, তাঁর বিরুদ্ধে চক্রান্ত করছে কিছু সমাজবিরোধী। তারা সদ্য বিজেপি হয়েছে। গত আট দশদিন ধরেই আমাকে মারার পরিকল্পনা চলছে। এমনকি, তাঁর বাড়ির আশপাশে তারা রেইকি করে গিয়েছে বলেও দাবি করেছেন তিনি। পরেশবাবুর কথায়, প্রশাসন বলছে, আমার নাকি প্রাণনাশের আশঙ্কা রয়েছে। কিন্তু কেন পুলিশ ব্যবস্থা নিচ্ছে না? থানায় এই নিয়ে অভিযোগ করবেন বলে জানিয়েছেন বিধায়ক। এছাড়াও কেন তাঁকে কাজ করতে দেওয়া হচ্ছে না, এই প্রশ্নও তুলেছেন দু’বারের এই বিধায়ক। তিনি বলেন, মানুষ তাঁকে বিধায়ক করেছেন, তাই তাঁদের জন্য কাজ করতে তিনি বদ্ধপরিকর।
  • Link to this news (বর্তমান)