নিজস্ব প্রতিনিধি, বিধাননগর: সোশ্যাল মিডিয়ায় আলাপ। তারপর দু’জনের বন্ধুত্ব, প্রেম। নিউটাউনের প্রৌঢ়াকে বিয়ের প্রস্তাবও দিয়েছিল। পাত্র জানিয়েছে, সে ব্রিটেনে কর্মরত। বিশ্বাস করেছিলেন প্রৌঢ়াও। শেষ বয়সে একসঙ্গে কাটানোর জন্য বিয়ে করতে রাজি হয়েছিলেন তিনি। তারই সুযোগ নেয় ভুয়ো পাত্র। পরিবারে মেডিকেল ইমার্জেন্সি বলে প্রৌঢ়ার কাছ থেকে ১৭ লক্ষ টাকা সাহায্য চায় সে। প্রৌঢ়া সেই টাকা পাঠিয়েও দেন। তারপরই প্রৌঢ়াকে সমস্ত জায়গা থেকে ব্লক করে দেয় ওই পাত্র! এরপরই প্রৌঢ়া টের পান, তিনি প্রতারকের খপ্পরে পড়েছেন। অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা এবং টাকা ফিরে পেতে বৃহস্পতিবার বিধাননগর সাইবার ক্রাইম থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন তিনি।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, নিউটাউনের ওই প্রৌঢ়া একটি আবাসন কমপ্লেক্সে থাকেন। বয়স ৫১ বছর। এপ্রিল মাসে সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে তাঁদের যোগাযোগ। প্রতারক নিজেকে নামী সংস্থায় কর্মরত বলে দাবি করে। ক্রমে তাঁদের মধ্যে প্রণয়ের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। বিয়ে নিয়ে দীর্ঘ আলোচনাও হয়। প্রৌঢ়া রাজি হন। তারপর হোয়াটসঅ্যাপে প্রতিদিন কথা হতো। একদিন হঠাৎ করে ওই ব্যক্তি জানায়, চিকিৎসার জন্য পরিবারে কিছু টাকার দরকার। ওই ব্যক্তির কথায়, তিনি ১৬ লক্ষ ৮৭ হাজার অর্থাৎ প্রায় ১৭ লক্ষ টাকা পাঠিয়ে দেন। এরপরই যোগাযোগ বন্ধ করে দেয় ওই ব্যক্তি।
প্রতারিত হয়েছেন বুঝতে পেরে ১৮ মে প্রৌঢ়া ন্যাশনাল সাইবার ক্রাইম রিপোর্টিং পোর্টালে অভিযোগ নথিভুক্ত করেন। তারপর সল্টলেকে গিয়ে বিধাননগর সাইবার ক্রাইম থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।