• ‘ভারতীয় ফুটবল থেমে থাকবে না’, আইএসএলের ভবিষ্যৎ নিয়ে কী বললেন ফেডারেশন সভাপতি
    প্রতিদিন | ২৩ মে ২০২৬
  • ২২ বছরের অপেক্ষার অবসান। ইস্টবেঙ্গল অবশেষে ভারতসেরা। কিশোরভারতী স্টেডিয়ামে ইন্টার কাশীকে ২-১ গোলে হারিয়ে নিশ্চিত হয়েছে এই ঐতিহাসিক জয়। এই সাফল্যের আবহেই আইএসএলের ভবিষ্যৎ নিয়ে আশার কথা শোনালেন কল্যাণ চৌবে।

    ম্যাচ শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, “প্রায় আট বছর ধরে সংবিধান সংক্রান্ত মামলা চলেছে। সেই সঙ্গে আরও কিছু আইনি জটিলতাও ছিল। একসময় এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল যে, অনেকেই ভাবছিলেন এ বছর হয়তো ফুটবলই হবে না। কিন্তু সমস্ত প্রতিকূলতা সত্ত্বেও আমরা সফলভাবে আইএসএল আয়োজন করতে পেরেছি। একজন সংগঠক হিসাবে এতে আমি অত্যন্ত সন্তুষ্ট।”

    মোহনবাগান ও ইস্টবেঙ্গল ডার্বির প্রশংসা করে চৌবে বলেন, “যে কোনও প্রতিযোগিতায় ভারসাম্য খুব জরুরি। যদি এক দলই বারবার জেতে, তাহলে আকর্ষণ কমে যায়। কলকাতা ডার্বি বিশ্বের অন্যতম সেরা ডার্বি। এখানে কোটি মানুষের আবেগ জড়িয়ে রয়েছে। গত কয়েক বছরে ইস্টবেঙ্গল সেভাবে সফল হচ্ছিল না। এবার তাদের এই সাফল্য বাংলা ফুটবলের জন্য খুবই ইতিবাচক। যতদিন ডার্বির দ্বৈরথ থাকবে, ততদিন বাংলার ফুটবল এবং ভারতীয় ফুটবলও টিকে থাকবে।”

    এবারের আইএসএল নিয়ে বিশেষভাবে গর্বিত এআইএফএফ সভাপতি। তাঁর মতে, এই মরশুমের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি ছিল হাড্ডাহাড্ডি টুর্নামেন্ট হয়েছে। শেষ দিন পর্যন্ত শিরোপা দৌড়ে ছিল একাধিক দল। মোহনবাগান, মুম্বই সিটি এফসি, পাঞ্জাব এফসি এবং জামশেদপুর এফসি। “একই সময়ে একাধিক ম্যাচে ফলাফল বদলে যেতে পারত। আইএসএল শুরুর পর থেকে এত প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ মরশুম আমরা দেখিনি,” বলেছেন কল্যাণ।

    ফুটবল বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা নিয়েও কথা বলেছেন কল্যাণ চৌবে। “এআইএফএফ কখনও বলেনি ফুটবল বন্ধ হয়ে যাবে। সুপার কাপ, লিগ, সন্তোষ ট্রফি – সবই হয়েছে। গোটা বছরে আমরা ২১টি টুর্নামেন্ট আয়োজন করেছি। প্রায় ২১০০টি ম্যাচ হয়েছে। এটা ভারতীয় ফুটবলের জন্য বড় সাফল্য।” তবে কিছু বিতর্ককে ‘ম্যানমেড’ বলেও উল্লেখ করেন তিনি। “ইচ্ছাকৃতভাবে কিছু আশঙ্কা তৈরি করা হয়েছিল। কিন্তু আমরা জানতাম, ভারতীয় ফুটবল থেমে থাকবে না,” জানান এআইএফএফ সভাপতি।
  • Link to this news (প্রতিদিন)