• কলকাতায় মার্কিন বিদেশসচিব মার্কো রুবিও
    আজকাল | ২৩ মে ২০২৬
  • আজকাল ওয়েবডেস্ক: মার্কিন বিদেশসচিব মার্কো রুবিওর চার দিনের ভারত সফর শুরু হল কলকাতা থেকে। শনিবার সকালে কলকাতায় পৌঁছলেন মার্কিন বিদেশসচিব।

    তিনি প্রথমে মাদার হাউস পরিদর্শন করেন। সকাল প্রায় ৮টা ১৫ মিনিট নাগাদ সেখানে পৌঁছে মিশনারিজ অফ চ্যারিটির কার্যকলাপ সম্পর্কে খোঁজখবর নেন। পরে সকাল ৯টা ২৫ মিনিট নাগাদ তিনি শহরের নির্মলা শিশুভবনও পরিদর্শন করেন।

    মার্কো রুবিওর সঙ্গে ছিলেন তাঁর স্ত্রী জেনেট ডি রুবিও। কলকাতায় মিশনারিজ অফ চ্যারিটির সদর দপ্তরে গিয়ে সংগঠনের আধিকারিকদের সঙ্গে কথাবার্তাও বলেন তাঁরা।

    উল্লেখ্য, মাদার টেরেসা প্রতিষ্ঠিত মিশনারিজ অফ চ্যারিটি বিশ্বের দরিদ্র, অসহায় ও অসুস্থ মানুষের সেবায় নিয়োজিত একটি ক্যাথলিক সংগঠন। এদিন কলকাতায় মার্কিন বিদেশসচিবকে স্বাগত জানান, মার্কিন রাষ্ট্রদূত সার্জিও গোর। কলকাতায় রুবিওকে স্বাগত জানিয়ে তিনি এক্স হ্যান্ডেলে একটি পোস্টে লেখেন, ‘আমার বন্ধু মার্কো রুবিওকে কলকাতায় স্বাগত জানাতে পেরে আমি সম্মানিত। আমাদের সামনে গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচি রয়েছে। যার মধ্যে বিদেশমন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠকও রয়েছে। মার্কিন-ভারত সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করে তুলতেই এই বৈঠক।’




    উল্লেখযোগ্যভাবে, কোনও মার্কিন বিদেশসচিবের কলকাতা সফরের ক্ষেত্রে প্রায় ১৪ বছরের বিরতির অবসান ঘটালেন রুবিও। গত বছর বিদেশসচিবের দায়িত্ব নেওয়ার পর এটাই তাঁর প্রথম ভারত সফর।

    কলকাতা সফরের পরেই তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠক করতে দিল্লি উড়ে যাবেন বলে জানিয়েছেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত গোর। এছাড়াও রবিবার বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে বৈঠক এবং মঙ্গলবার দিল্লিতে কোয়াড বিদেশমন্ত্রীদের বৈঠকে যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে তাঁর।

    সফরসূচিতে আগ্রা ও জয়পুরও রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথম ভারত সফর প্রসঙ্গে শুক্রবার রুবিও বলেন, ‘ভারতের সঙ্গে আমাদের অনেক গুরুত্বপূর্ণ কাজ রয়েছে। তারা আমাদের গুরুত্বপূর্ণ মিত্র ও অংশীদার। এই সফর অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।’

    সূত্রের খবর, রুবিওর এই সফরে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতি, জ্বালানি সরবরাহে প্রভাব এবং ভারতের উপর আমেরিকার শুল্ক আরোপের ক্ষেত্রে সাম্প্রতিক উত্তেজনা নিয়েও আলোচনা হতে পারে।

    বিশেষজ্ঞদের মতে, মার্কো রুবিওর এই ভারত সফর ভারত-আমেরিকা সম্পর্ককে আরও মজবুত করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি উভয়েই দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের গতি বজায় রাখতে আগ্রহী বলেই মনে করা হচ্ছে।
  • Link to this news (আজকাল)