সরকার বদলাতেই মাটি-বালির বাঁধে ইতি! একই কাজ বারবার নয়, গঙ্গাসাগরে বড় সিদ্ধান্ত প্রশাসনের
News18 বাংলা | ২৩ মে ২০২৬
: কপিলমুনি মন্দিরের সামনে সমুদ্রবাঁধের কাজে গতি ফেরার আশায় স্থানীয়রা। ইতিমধ্যেই প্রাশাসনিক বৈঠক করে সাগরের বিধায়ক সুমন্ত মণ্ডল এই কাজ সঠিকভাবে এবং সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনায় করার নির্দেশ দিয়েছেন। যার ফলে আশায় বুক বাঁধছে স্থানীয়রা। এই কাজ নিয়ে সাগরের বিডিও সুমন্ত মণ্ডল জানিয়েছেন, “মাটির বাঁধ বা বালির বাঁধ হবে না। এক জায়গাতে বারংবার ওই কাজ চলবে না। যে কাজ করলে দীর্ঘস্থায়ী হবে সেই কাজ করতে হবে। আইআইটি চেন্নাই ও নেদারল্যান্ডসের প্রতিনিধির রিপোর্ট কী আছে এবং সেই অনুযায়ী কাজ কী হয়েছে সবকিছু জেনে দ্রুত কাজ করতে হবে।”
ইতিমধ্যেই কাকদ্বীপে মহাকুমা শাসকের দফতরে এ নিয়ে মিটিং হয়েছে। সেখানে বিপজ্জনক নদীবাঁধগুলিকে এক সপ্তাহের মধ্যেই চিহ্নিত করে মেরামত শুরু করতে হবে বলা হয়েছে। এক্ষেত্রে কোনও বেনিয়ম করা যাবে না। স্বচ্ছতা রেখে কাজ করতে হবে। এমনকি সাগরের কপিলমুনি মন্দিরের সামনের অংশের ভগ্ন সমুদ্রবাঁধের কাজও শীঘ্রই শুরু করতে হবে।
সামনেই বর্ষাকাল, এখনও এই মহকুমার বিভিন্ন এলাকায় নদীবাঁধ বেহাল হয়ে পড়ে রয়েছে। এনিয়ে চিন্তিত মহকুমা প্রশাসন। সেজন্য তড়িঘড়ি বিভিন্ন দফতরের আধিকারিকদের নিয়ে প্রশাসনিক বৈঠকের আয়োজন করা হয়েছিল। উপস্থিত ছিলেন কাকদ্বীপের মহকুমা শাসক নিশীথভাস্কর পাল, কাকদ্বীপের বিধায়ক দীপঙ্কর জানা ও সাগরের বিধায়ক সুমন্ত মণ্ডল।
এখানকার বিভিন্ন দফতরের কাজকর্ম বর্তমানে কোন পর্যায়ে দাঁড়িয়ে রয়েছে, সেই বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। মহকুমার কোথায় কী সমস্যা রয়েছে, সেই বিষয়েও আলোচনা করা হয়েছে। সেচ দফতরের আধিকারিকদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, শীঘ্রই বিপজ্জনক নদীবাঁধগুলি মেরামতের কাজ শুরু করতে হবে। একটি নদীবাঁধের কাজ বারবার করা যাবে না। স্থায়ীভাবে নির্মাণ করতে হবে। কাজের মধ্যে স্বচ্ছতা রাখতে হবে এবং নির্দিষ্ট সময়সীমা মেনে কাজ শেষ করতে হবে। এছাড়াও বিভিন্ন দফতরের অসম্পূর্ণ কাজগুলিকে কীভাবে সম্পূর্ণ করা যায়, সেই বিষয় নিয়েও আলোচনা হয়েছে।