• ক্রীড়ামন্ত্রীর নির্দেশের পরই অ্যাকশন, ভেঙে দেওয়া হল যুবভারতীর সামনের সেই ‘বিদঘুটে’ মূর্তি
    প্রতিদিন | ২৩ মে ২০২৬
  • যুবভারতীর সামনে থেকে সরে গেল ‘বিদঘুটে’ সেই মূর্তি। ক্রীড়ামন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক আগেই ঘোষণা করেছিলেন যে স্টেডিয়ামের ভিভিআইপি গেটের সামনের ওই মূর্তিটি ভেঙে ফেলা হবে। কাজ শুরু হতে বেশি দেরি হল না। শনিবার সকালে নির্দেশমতো সেই মূর্তিটি ভেঙে ফেলা হয়েছে।

    ২০১৭ সালে সল্টলেকে যুবভারতী স্টেডিয়াম ঢেলে সাজানো হয়েছিল। সেই সময়েই যুবভারতীর বাইরে ‘অদ্ভুত’ মূর্তি তৈরি হয়েছিল। যে মূর্তির পা থেকে কোমর পর্যন্ত আছে। তার উপরে বসানো আছে বিশ্ববাংলা লোগো। পায়ের বলে লেখা ‘জয়ী’। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে এই মূর্তির নকশা তৈরি করেছিলেন। ‘অনর্থক’ এই মূর্তি তৈরির পর থেকেই শুরু হয়েছিল বিতর্ক। ওই মূর্তিটির যে কী অর্থ, তা বাংলার ফুটবলপ্রেমীদের কাছে পরিষ্কার ছিল না। 

    রাজ্যে পালাবদলের পর ১৭ মে যুবভারতীতে মোহনবাগান-ইস্টবেঙ্গল ডার্বি দেখতে গিয়েছিলেন ক্রীড়ামন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক। ম্যাচের পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে নিশীথ বলেছিলেন, “এরকম অদ্ভূত বিদঘুটে একটা মূর্তি, একটা কাটা পা তার ওপর ফুটবল । আমার তো মনে হয় এই মূর্তি লাগানোর পর থেকেই আগের সরকারের খারাপ দিন আসা শুরু হয়ে গিয়েছে। তারপর মেসি কাণ্ড হল, সরকার চলে গেল।” তখনই জানিয়ে দিয়েছিলেন পূর্ত দপ্তরের সঙ্গে কথা বলে মূর্তিটা ভেঙে দেওয়া হবে।

    শনিবার সকালে মূর্তিটি ভেঙে ফেলা হয়। এখন শুধু দু’টি বুট ও ফুটবল রয়েছে। সেই স্থানে কোনও ফুটবলারের মূর্তি বসানো হতে পারে বলে চর্চা চলছে। ডার্বির রাতেই নিশীথ বলেছিলেন, “আমরা এমন একটা মূর্তি যার কোনও অর্থ নেই, আমরা সেটা পরিবর্তন করব। এর বদলে বিখ্যাত কোনও ফুটবলারের মূর্তি বসানো হবে।”
  • Link to this news (প্রতিদিন)