১৮ দিন পর খুলল দরজা! তারাপীঠে টিআরডিএ-র ১০০ কোটির দুর্নীতির খোঁজে স্পেশ্যাল টিম
News18 বাংলা | ২৩ মে ২০২৬
: আজ থেকে প্রায় বহু বছর আগের ঘটনা। সময়টা তখন আনুমানিক ২০১৫ সাল, ২০১৫ সালের ৩০ এপ্রিল। রামপুরহাট এবং তারাপীঠ এলাকার বাসিন্দাদের সুবিধার্থে তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সূচনা করেছিলেন তারাপীঠ রামপুরহাট উন্নয়ন পর্ষদের। তারপর থেকেই তারাপীঠের উন্নয়নমূলক কাজের জন্য কাজ করেছে তারাপীঠ রামপুরহাট উন্নয়ন পর্ষদ!
তবে রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের সঙ্গে সঙ্গেই তারাপীঠ রামপুরহাট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের অফিস তালা বন্ধ করে দিয়েছিলেন বিজেপির কর্মী সমর্থকরা। ১৮-১৯ দিন কেটে গেলেও সেই তালা খোলা হয়নি। যার ফলে এলাকার একাধিক উন্নয়নমূলক কাজ এবং সাধারণ নাগরিক পরিষেবা থমকে গিয়েছে বলে মন্তব্য বেশ কয়েকজনের। সূত্র মারফত খবর সংস্থার ২২ জন অস্থায়ী কর্মী ও ২০ জন সাফাই কর্মীর বেতনও দেওয়া সম্ভব হয়নি।
এদিকে তারাপীঠের মতো গুরুত্বপূর্ণ তীর্থক্ষেত্রে তারাপীঠ রামপুরহাট উন্নয়ন পর্ষদের পরবর্তী চেয়ারম্যান এবং ভাইস চেয়ারম্যানকে হতে চলেছেন, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে চলছে তীব্র জল্পনা। কারণ, এই পদটি ফাঁকা থাকলে হবে না উন্নয়নমূলক কাজ ও নাগরিক পরিষেবার মতন জরুরি কাজকর্মও। তবে এরই মাঝে শুক্রবার দুপুরে অতিরিক্ত জেলাশাসক, পুর ও নগরোন্নয়ন দফতরের আধিকারিক এবং তারাপীঠ রামপুরাহাট উন্নয়ন পরিষদের কর্মীরা পুলিশের সহযোগিতায় গেটের তালা খোলেন।
প্রসঙ্গত আজ থেকে প্রায় পাঁচ থেকে ছয় মাস আগে তৎকালীন বীরভূম জেলার সাংগঠনিক বিজেপির জেলা সভাপতি ধ্রুব সাহা সিউড়ি জেলা কার্যালয়ে অফিসে সাংবাদিক সম্মেলন করে দাবি করেছিলেন ‘তারাপীঠ রামপুরহাট উন্নয়ন পর্ষদ অফিসে উন্নয়নের নামে কোটি কোটি টাকার দুর্নীতি হয়েছে’। এরপরেই শুক্রবার তারাপীঠ রামপুরহাট উন্নয়ন পরিষদের অফিস খোলার পর আরবান দফতরের জয়েন্ট সেক্রেটারি নেতৃত্বে আর্থিক তছরুপের তদন্তে আসে পাঁচ জন সদস্যের একটি টিম। এই বিষয়ে বিজেপি নেতা নিখিল বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, “রাজ্যের পালাবদলের পর এই প্রথম একটি টিম তদন্ত এসেছে তারা জরুরী কাগজ পত্র খতিয়ে দেখছেন, এই তারাপীঠ রামপুরহাট উন্নয়ন পর্ষদ থেকে উন্নয়নের নামে প্রায় ১০০ কোটি টাকার দুর্নীতি হয়েছে, আধিকারিকেরা আমাদের আশ্বাস দিয়েছে এই দুর্নীতির পিছনে যে বা যারা লুকিয়ে রয়েছে তাদের সবাইকে চিহ্নিত করা হবে।”