• অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের ৩০০০ টাকা পেতে পৃথক পোর্টাল উত্তর ২৪ পরগণায়, কীভাবে মিলবে সুবিধা? যা জানাল প্রশাসন...
    News18 বাংলা | ২৪ মে ২০২৬
  • অন্নপূর্ণা যোজনার KYC নিয়েই জেলায় বাড়ছে বিভ্রান্তি, উত্তর ২৪ পরগনায় জন্য কি পৃথক পোর্টাল চালু করেছে জেলা প্রশাসন? জুন থেকে রাজ্যে চালু হতে চলেছে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের পরিষেবা। সরকারি ঘোষণা অনুযায়ী, বর্তমানে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের সুবিধাপ্রাপ্ত মহিলারাই এই প্রকল্পের আওতায় মাসিক ৩ হাজার টাকা আর্থিক সহায়তা পাবেন। তবে যোজনা চালুর আগেই উত্তর ২৪ পরগনায় তথ্য যাচাই প্রক্রিয়া নিয়েই শুরু হয়েছে বিরাট বিভ্রান্তি। সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ওয়েবলিঙ্ক ঘিরে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয় ধোঁয়াশা।

    জানা গিয়েছে, www.ayn24p.in নামের একটি পৃথক পোর্টাল চালু করেছে উত্তর ২৪ পরগনা জেলা প্রশাসন। ওই পোর্টালের মাধ্যমেই বর্তমানে জেলার লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রাপকদের তথ্য যাচাই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হচ্ছে। জেলা প্রশাসনের দাবি, এটি কোনও ভুয়ো ওয়েবসাইট নয়, বরং প্রশাসনের উদ্যোগেই তৈরি করা হয়েছে। অতিরিক্ত জেলাশাসক (ট্রেজারি) নকুলচন্দ্র মাহাতো জানান, লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের উপভোক্তাদের তথ্য অন্নপূর্ণা যোজনায় স্থানান্তর করার জন্যই এই অনলাইন ভেরিফিকেশন প্রক্রিয়া চালু হয়েছে। অন্যান্য জেলায় যেখানে ম্যানুয়ালি তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে, সেখানে বিপুল সংখ্যক উপভোক্তার কারণে উত্তর ২৪ পরগনায় ডিজিটাল পদ্ধতি গ্রহণ করা হয়েছে।

    এই প্রক্রিয়ায় প্রথমে উপভোক্তাকে ব্লক বা মিউনিসিপ্যালিটি এবং গ্রাম পঞ্চায়েত বা ওয়ার্ড নির্বাচন করতে হচ্ছে। এরপর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের শেষ চারটি সংখ্যা দিয়ে তথ্য খুঁজতে হচ্ছে। তথ্য মিললে আধার নম্বর, ভোটার কার্ড নম্বর এবং সংশ্লিষ্ট নথির ছবি আপলোড করে ভেরিফিকেশন সম্পূর্ণ করা যাচ্ছে।

    জেলা প্রশাসন সূত্রে খবর, এখনও পর্যন্ত প্রায় ৯ লক্ষ ১২ হাজার উপভোক্তা এই পোর্টালে নিজেদের তথ্য আপডেট করেছেন। ইতিমধ্যেই north24parganas.gov.in-এও এই লিঙ্ক যুক্ত করা হয়েছে। তবে প্রশাসন স্পষ্ট করেছে, এই পোর্টাল শুধুমাত্র উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বাসিন্দাদের জন্য। অন্য জেলার কোনও উপভোক্তা এই লিঙ্ক ব্যবহার করে কেওয়াইসি করতে পারবেন না। কেউ অনলাইনে তথ্য আপডেট করতে না পারলে সংশ্লিষ্ট ব্লক অফিস বা পুরসভায় গিয়ে আধার ও EPIC কার্ডের ফটোকপি জমা দিয়েও তথ্য যাচাই করাতে পারবেন।
  • Link to this news (News18 বাংলা)