• বোলপুরে তৃণমূলের অফিসে থরে থরে সাদা থান! ভোটে জিতলে এলাকায় হিংসা ছড়ানোর পরিকল্পনা?
    প্রতিদিন | ২৪ মে ২০২৬
  • তৃণমূলের অফিস থেকে মিলল থরে থরে সাদা থান! এছাড়াও পাওয়া গিয়েছে বোমা তৈরির সুতলি দড়ি, পাথর, মশলা! তাহলে ভোটের পরে এলাকায় হিংসা ছড়ানর জন্যই আগে থেকে এসব মজুত করে রাখা হয়েছিল? বিজেপি কর্মীদের ভয় দেখাতে তাঁদের বাড়িতে পাঠানোর জন্য সাদা থান মজুত করা হয়? ঘটনাটি জানাজানি হতেই এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। বোলপুরের (Bolpur) কংকালীতলা অঞ্চলের ওই পার্টি অফিস ভোটের ফল ঘোষণার দিন থেকেই বন্ধ ছিল। আজ, শনিবার স্থানীয় বিজেপির কর্মীরা ওই কার্যালয় খুলেছিলেন। তারপরই ওই ঘটনা সামনে আসে।

    বীরভূমের কংকালীতলা অঞ্চলের আমডহরা গ্রামে তৃণমূলের ওই দলীয় কার্যালয় বন্ধই ছিল। এদিন বিজেপি কর্মীরা ওই কার্যালয় খুলে ভিতরে ঢোকেন। চমকে ওঠেন সকলেই। দেখা যায়, ভিতরে থরে থরে সাদা থান রাখা। বাম আমলে ভয় দেখানোর জন্য বিরোধীদের বাড়িতে সাদা থান পাঠানোর সংস্কৃতি ছিল! তৃণমূল আমলেও এই ঘটনা মাঝেমধ্যে দেখা গিয়েছে। এবার বিধানসভা নির্বাচনের সময় বহু বিজেপি কর্মীর বাড়ির বাইরে সাদা থান পাওয়া গিয়েছিল! তৃণমূল সেই থান পাঠিয়েছিল বলে অভিযোগ ওঠে। 

    এবার প্রচুর সংখ্যায় সাদা থান পাওয়া গেল কংকালীতলার ওই তৃণমূল পার্টি অফিসে। বিজেপির কর্মীদের দাবি, ভয় দেখানোর জন্য ভোটের ফলপ্রকাশের আগেই ওইসব থান মজুত করা হয়েছিল! তবে রাজ্যে পালাবদলে তৃণমূল হেরে যাওয়ায় তৃণমূলীরা আর ওই কার্যালয় খোলেনি। শুধু তাই নয়, কার্যালয়ের ভিতর বোমা তৈরির সুতলি দড়ি, পাথর, মশলাও পাওয়া গিয়েছে। তাহলে কি তৃণমূল জিতলে বোমা তৈরি করে ভোটের ফলপ্রকাশের পর এলাকায় হিংসা ছড়ানোর পরিকল্পনা ছিল? বিজেপি জেতায় সেসব আর হল না। যদিও তৃণমূল নেতৃত্ব এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। বীরভূমের তৃণমূলের জেলা সহ-সভাপতি মলয় মুখোপাধ্যায় বলেন, “দলের সঙ্গে এর কোনও সম্পর্ক নেই। কেউ ব্যক্তিগতভাবে এই ধরনের কাজ করে থাকলে তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।”

    বোলপুর এলাকা তৃণমূলের দাপুটে নেতা অনুব্রত মণ্ডলের বলেই পরিচিত। এবার বীরভূমের লালমাটিতে গেরুয়া আবির উড়েছে। জেলার ১১টি আসনের মধ্যে ৬টিতে জয়ী হয়েছে বিজেপি। রাজ্যেও বিজেপি ক্ষমতায় এসেছে ২০৭টি আসনে জিতে। ভোটের ফলপ্রকাশের পর থেকেই নিজেকে ঘরবন্দি করে রেখেছেন অনুব্রত। এদিনের ঘটনায় এলাকায় রাজনৈতিক উত্তেজনা ছড়িয়েছে।
  • Link to this news (প্রতিদিন)