আর জি কর ফাইলস খুলতেই বিপাকে অভীক দে! বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ রাজ্যপাল আর এন রবির
প্রতিদিন | ২৪ মে ২০২৬
আর জি কর কাণ্ডে (R G Kar Case) অভীক দের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ। তদন্তের নির্দেশ দিলেন রাজ্যপাল আর এন রবি। থ্রেট কালচার থেকে প্রভাব খাটিয়ে বিভিন্ন দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছিল। অভয়া কাণ্ডের সময় সেমিনার রুমে দেখা গিয়েছিল এই অভীক দেকে। জলঘোলা হওয়ায় এসএসকেএম হাসপাতালের পোস্ট গ্র্যাজুয়েট ট্রেনিকে সাসপেন্ড করে স্বাস্থ্যদপ্তর। এবার তাঁর বিরুদ্ধে তদন্তের নির্দেশ দিলেন রাজ্যপাল। পাশাপাশি তিনি কীভাবে সার্ভিস কোটায় এসএসকেএমে স্নাতকোত্তর পড়ার সুযোগ পেয়েছেন, তা-ও তদন্ত করে দেখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
আর জি করে চিকিৎসককে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে উঠে আসে অভীক দে’র নাম। স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে বিশেষ গোষ্ঠীর প্রভাবশালী নেতা বলে পরিচিত ছিলেন। তাঁর বিরুদ্ধে ৩২ দফা অভিযোগ প্রকাশ্যে আসে। এর মধ্যে ছিল থ্রেট কালচার, মর্গে দুর্নীতি, চিকিৎসকদের বদলির ক্ষেত্রে হস্তক্ষেপ, দু’বছর ধরে নিয়মিত ক্লাস না করা, হাজিরা না দেওয়া, রিপোর্ট জমা না দেওয়া, রোগী না দেখা-সহ একাধিক অভিযোগ ছিল। অভয়া কাণ্ডের সময় লাল জামা পরে সেমিনার রুম অর্থাৎ অপরাধ স্থলে তাঁকে দেখা গিয়েছিল। পরেও তাঁকে আর জি কর হাসপাতালে দেখা গিয়েছিল। এবার আর জি কর ফাইলস খুলতেই তাঁর বিরুদ্ধে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হল। পাশাপাশি তিনি কীভাবে সার্ভিস কোটায় এসএসকেএমে স্নাতকোত্তর পড়ার সুযোগ পেয়েছেন, তা-ও তদন্ত করে দেখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এই অভীক দে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজের প্রাক্তন রেডিওলজিস্ট। তিনি ঘটনার আর জি করে অভয়ার কাণ্ডের সময় সেমিনার রুমে ঘোরাঘুরি করছিলেন। তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। তাঁকে বিভিন্ন জায়গা থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। কিন্তু পরে তাঁকে বৈঠকেও দেখা গিয়েছিল। তা নিয়েও প্রশ্ন ওঠে তাহলে কি প্রতীকী সাসপেন্ড করা হয়েছিল? এ দিন অভীকের বিরুদ্ধে তদন্তের নির্দেশের পর বিজেপির ইন্দ্রনীল খাঁ বলেন, “তিলোত্তমার বিচার প্রক্রিয়ায় যাঁরা বাধার সৃষ্টি করেছিলেন, সবার বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করা হবে। অনেক দিন আগে এই কাজ হওয়া উচিত। এটি এখন শুরু হচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলে দিয়েছেন দুর্নীতিগ্রস্তদের ছাড় দেওয়া হবে না। যথাস্থানে এদের জায়গা হবে।” আর জি কর আন্দোলনের অন্যতম মুখ অনিকেত মাহাতো বলেন, “এই অভীক দে মেডিক্যাল কলেজগুলিতে থ্রেট কালচারের জনক। এদের কঠোর থেকে কঠোরতম শাস্তি হওয়া উচিত।”